• সুপ্রিম নির্দেশে আত্মসমর্পণ তরুণ তেজপালের, সহকর্মীকে ধর্ষণে দোষী সাব্যস্ত তেহেলকার প্রাক্তন সম্পাদক
    প্রতিদিন | ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • গোয়ার মাপুসা আদালতে আত্মসমর্পণ করলেন ‘তেহেলকা’র প্রতিষ্ঠাতা তথা প্রাক্তন সম্পাদক তরুণ তেজপাল। ২০১৩ সালের এক ধর্ষণের মামলায় সম্প্রতি দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন তিনি। বম্বে হাই কোর্ট তাঁকে দশ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছে। ওই রায়কে চ্যালেঞ্জ করলে সুপ্রিম কোর্ট তাঁকে তিন সপ্তাহের মধ্যে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেয়। একদিন বাদে, অর্থাৎ আগামিকাল শেষ হবে সেই সময়সীমা। তার আগে সোমবার সকালে আদালতে গিয়ে আত্মসমর্পণ করলেন তিনি।

    ধর্ষণ মামলায় তরুণকে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছিল বম্বে হাই কোর্ট। কিন্তু সেই রায়ের বিরোধিতা করে তেহেলকা কর্তা। দ্বারস্থ হন সুপ্রিম কোর্টে। অন্যদিকে, বম্বে হাই কোর্টের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হয় গোয়া সরকারও। আবেদন জানানো হয়ে, ১০ বছরের কারাদণ্ড পর্যাপ্ত নয়, এই যৌন অপরাধীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হোক। শুনানি শেষে আদালত জানায়, তেহেলকা কর্তাকে দু’সপ্তাহের মধ্যে আত্মসমর্পণ করতে হবে। সেই নথি সুপ্রিম কোর্টে জমা পরলে তবেই তার আবেদন শোনা হবে। মামলার পরবর্তী শুনানি হতে পারে আগামী ২২ সেপ্টেম্বর।

    ২০১৩ সালে গোয়ায় একটি কনফারেন্স চলাকালীন এক মহিলা সহকর্মীকে যৌন হেনস্তার অভিযোগ ওঠে তরুণের বিরুদ্ধে। নির্যাতিতা অভিযোগ করেন, গোয়ার এক হোটেলের লিফটে তাঁকে যৌন নিগ্রহ করেছেন ‘তেহেলকা’র প্রতিষ্ঠাতা। এই মর্মে গোয়া পুলিশের কাছে এফআইআর দায়ের করা হয়। এরপর ২০১৩ সালে গ্রেপ্তার করা হয় তরুণকে। ২০১৪ সালের জুলাই মাসে জামিনে মুক্তি পান তিনি। এরপর ২০১৭ সালে ধর্ষণের অভিযোগ আনা হয় তেজপালের বিরুদ্ধে। মামলার শুনানি শুরু হয় গোয়ার আদালতে। ২০২১ সালে সেই মামলায় রেহাই পান তিনি। এই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হয় গোয়া সরকার। গত ৬ আগস্ট ধর্ষণ মামলায় তরুণকে দোষী সাব্যস্ত করে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেয় বম্বে হাই কোর্টের গোয়া বেঞ্চ।
  • Link to this news (প্রতিদিন)