রাজ্যের দুই উপনির্বাচনে জয়ের সম্ভাবনা নেই, তাই আগে প্রার্থী ঘোষণা করে পাবলিসিটি করার চেষ্টা করেছে কালীঘাট তৃণমূল। সোমবার এভাবেই তৃণমূলকে কটাক্ষ করলেন রাজ্যের মন্ত্রী তথা বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। তাঁর কটাক্ষ, “তৃণমূলে তো বাড়ির চাকর বাকরকে প্রার্থী করে দিলেও চলবে। বিজেপিতে রীতি নীতি মেনে যথাসময়ে প্রার্থী ঘোষণা করা হবে।”
সোমবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তৃণমূলের দুই শিবিরের মধ্যে প্রতীক ‘যুদ্ধ’ নিয়ে তোপ দাগেন দিলীপ। তিনি জানান, মানুষ যে দলকে রিজেক্ট করে দিয়েছে তাদের আবার আসল নকল! ছাব্বিশের নির্বাচনে তো প্রতীক নিয়ে কোনও লড়াই ছিল না। কিন্তু তা সত্ত্বেও জিততে পারেনি। তাই প্রতীক গুরুত্বপূর্ণ নয়, দলের সংস্কৃতি নিয়ে মানুষ চিন্তিত। বেশ কয়েকটি দলের প্রার্থীর নাম ঘোষণা হলেও বিজেপি এখনও উপনির্বাচনে প্রার্থী ঘোষণা করেনি। এবিষয়ে দিলীপ জানান, বিজেপির একটি নীতি নিয়ম আছে। প্রার্থী নির্বাচনের আগে পার্লামেন্টারি বোর্ডের মিটিং করা হয়। গোটা ভারতে উপনির্বাচন হচ্ছে। বিজেপিতে রীতি মেনে সঠিক সময়ে প্রার্থী ঘোষণা করা হবে বলে জানান দিলীপ।
উল্লেখ্য, প্রতীক নিয়ে জটিলতার মাঝেই রবিবার নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর উপনির্বাচনের প্রার্থী ঘোষণা করল কালীঘাট তৃণমূল। দীর্ঘদিন ধরেই জল্পনা ছিল, নন্দীগ্রামে প্রার্থী হতে পারেন খোদ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলে প্রার্থী দেবে না বলে ঘোষণা করেছিল ঋতপন্থী তৃণমূল। কিন্তু ভোটের লড়াইয়ে শামিল হওয়ার সাহস দেখাতে পারেননি মমতা। নন্দীগ্রাম আসনে প্রার্থী করা হয়েছে সঞ্চিতা প্রধান দে-কে। রেজিনগরে কালীঘাট তৃণমূলের হয়ে লড়বেন রবিউল আলম চৌধুরী। কালীঘাট তৃণমূলের এই প্রার্থী ঘোষণা নিয়েই এবার কটাক্ষের সুর দিলীপের গলায়।
সোমবার গণেশ চতুর্থী। দিলীপ এদিন বলেন, “রাজ্যের অলিগলিতে ঢুকে পড়েছেন গণেশ। এর অপেক্ষাতেই আমরা ছিলাম। গণেশ এলে শান্তি, সমৃদ্ধি আসবে। গুটরাট, মহারাষ্ট্র দেখুন কোথায় পৌঁছে গিয়েছে। আর আমরা আমিষ-নিরামিষ নিয়ে ঝগড়া করছি। গণেশই সবাইকে উদ্ধার করবেন।”