কল সেন্টার চালানোর নামে আর্থিক প্রতারণার অভিযোগে ২৫ জনকে গ্রেপ্তার করল পুলিশ। ধৃতদের মধ্যে ১৮ জন মহিলা এবং ৭ জন পুরুষ। সোমবার মধ্যমগ্রামের দোলতলা এলাকার এই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। ধৃতদের কাছ থেকে বিপুল নগদ, একাধিক মোবাইল এবং সিম কার্ড উদ্ধার হয়েছে। গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে মধ্যমগ্রাম থানার পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গত কয়েক দিন ধরেই দোলতলা এলাকার একটি সংস্থার বিরুদ্ধে আর্থিক প্রতারণার অভিযোগ উঠছিল। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে এদিন তাদের অফিসে হানা দেয় মধ্যমগ্রাম থানা ও সাইবার থানার যৌথ বাহিনী। অফিসে থাকা কর্মীদের জিজ্ঞাসাবাদের পাশাপাশি শুরু হয় তল্লাশি।
অফিস থেকে ১৯টি মোবাইল ফোন এবং শতাধিক সিম কার্ড উদ্ধার করে মধ্যমগ্রাম থানার পুলিশ। একই সঙ্গে বাজেয়াপ্ত করা হয় বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথি এবং নগদ ৩০ হাজার টাকা। এর পরেই গ্রেপ্তার করা হয় সংস্থার ২৫ জন কর্মীকে। কল সেন্টারের আড়ালে আর্থিক প্রতারণার কাজ চলতে বলেই প্রাথমিক ভাবে অনুমান পুলিশের। তবে তদন্ত শেষ হলেই গোটা বিষয়টা স্পষ্ট হবে।
উদ্ধার হওয়া বিপুল সংখ্যক সিম কার্ড ও মোবাইল ফোন ঘিরে রহস্য দানা বেঁধেছে। ওই সিমগুলি কী কাজে ব্যবহার করা হতো, মোবাইল ফোনগুলির মাধ্যমে কাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতেন ধৃতরা, উদ্ধার হওয়া নথির সঙ্গে প্রতারণা বা সাইবার অপরাধের কোনও যোগ রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
কত দিন ধরে এই কারবার চলছিল, এই চক্রের মাস্টারমাইন্ড কে, ধৃত ২৫ জনের ভূমিকা কী ছিল, তা-ও জানার চেষ্টা করছেন তদন্তকারীরা। এই চক্রের সঙ্গে আরও কেউ যুক্ত কি না, খতিয়ে দেখা হচ্ছে তা-ও।
কোথায় এই ঘটনা ঘটেছে?
মধ্যমগ্রামের দোলতলা এলাকায়।
কত জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে?
মোট ২৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
ধৃতদের মধ্যে কত জন মহিলা?
ধৃতদের মধ্যে ১৮ জন মহিলা এবং ৭ জন পুরুষ রয়েছেন।
কোন সংস্থার অফিসে অভিযান চালানো হয়?
‘অ্যাসিওর মোটিভেশন’ নামে একটি সংস্থার অফিসে অভিযান চালানো হয়।
কী কী উদ্ধার হয়েছে?
১৯টি মোবাইল ফোন, শতাধিক সিম কার্ড, গুরুত্বপূর্ণ নথি এবং নগদ ৩০ হাজার টাকা উদ্ধার হয়েছে।
তদন্তে এখন কী খতিয়ে দেখা হচ্ছে?
সিম ও মোবাইলগুলি কী কাজে ব্যবহার করা হতো, চক্রের মাস্টারমাইন্ড কে, কত দিন ধরে কারবার চলছিল এবং আরও কেউ জড়িত কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।