• ঋতব্রত শিবিরে ১০ বিধায়কের পদ খারিজের দাবি, কোর্টে মমতাপন্থীরা
    বর্তমান | ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়, ফিরহাদ হাকিম, আখরুজ্জামানসহ ১০ জন বিধায়কের বিধায়ক পদ খারিজ করতে সুপ্রিম কোর্টে দ্বারস্থ হলেন মমতাপন্থীরা। এই ব্যাপারে সোমবার সুপ্রিম কোর্টে একটি মামলা হয়েছে। আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, আগে যেমন আমরা ২০ জন তৃণমূল-ত্যাগী এনসিপিআই সাংসদের সাংসদ পদ খারিজ করতে মামলা দাখিল করেছিলাম, একইভাবে এবার ১০ জন বিধায়কের বিধায়ক পদ খারিজ করতে মামলা করা হল। স্পেশাল লিভ পিটিশন করা হয়েছে সুপ্রিম কোর্টে। পিটিশন ফাইল করেছেন বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। এখন মামলার তারিখের দিকে নজর সংশ্লিষ্ট মহলের। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় পালটা বলেন, কল্যাণবাবু একটু তাড়াতাড়ি করে ফেলছেন। একটু ধৈর্য ধরুন। কে কার সাংসদ বা বিধায়ক পদ খারিজ করেন সময় হলেই তা দেখতে পাবেন। ১০ জন বিধায়কের পদ খারিজের কথা বলে বাকিদের অক্সিজেন দিচ্ছেন কি না, সেটাও সময় এলে দেখতে পাবেন। অন্যদিকে, তোলাবাজি এবং হুমকির অভিযোগে গ্রেপ্তারির আশঙ্কায় হাইকোর্টের দ্বারস্থ হলেন মমতাপন্থী তৃণমূল সাংসদ কীর্তি আজাদ। আগাম জামিন চেয়েছেন তিনি। ১৫ লক্ষ টাকা চাওয়ার অভিযোগে রানিগঞ্জ থানায় তাঁর নামে এফআইআর হয়। ওই মামলা থেকে রেহাই পেতেই তিনি আগাম জামিন চেয়েছেন। সাংসদ জানিয়েছেন, তদন্তে সহযোগিতা করতে চান। তাঁর আবেদন মঞ্জুর করুক আদালত। চলতি সপ্তাহে বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের এজলাসে ওই মামলার শুনানির সম্ভাবনা। এদিন রাজ্য পুলিশের পদস্থ কর্তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, ওই সাংসদের ভয়েস স্যাম্পেলের ফরেনসিক টেস্ট করা হোক। শোনা যাচ্ছে, যে-ব্যক্তির সঙ্গে ওই সাংসদের কথোপকথন সামনে এসেছে, মামলাটি করেছেন সেই ব্যক্তিই। জমা পড়েছে সংশ্লিষ্ট অডিয়ো ক্লিপও।
  • Link to this news (বর্তমান)