আজকাল ওয়েবডেস্ক: হঠাৎ আগুন লাগলে কী ভাবে সামলানো হবে পরিস্থিতি? অগ্নি-নির্বাপণ ব্যবস্থা কতটা সচল? জরুরি পরিস্থিতিতে বেরোনোর পথই বা কতটা নিরাপদ? এই সব প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে সোমবার দুপুরে হো-চি মিন সরণির মেট্রো প্লাজা মলে আচমকা পরিদর্শনে যান দমকলের আধিকারিকেরা। আর সেই পরিদর্শনেই একাধিক অব্যবস্থার ছবি ধরা পড়েছে বলে সূত্রের খবর। ফায়ার অডিটে কার্যত ‘সন্তুষ্ট’ হতে পারেনি দমকল।
সূত্রের খবর, মলের বেসমেন্ট থেকে ছাদ- বিভিন্ন জায়গায় অগ্নি–নিরাপত্তা ব্যবস্থায় গলদ নজরে আসে আধিকারিকদের। মলের কয়েকটি অগ্নি–নির্বাপণ যন্ত্রের মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়ে গিয়েছিল বলেও অভিযোগ। পাশাপাশি, বেশ কয়েকটি স্মোক ডিটেক্টর অ্যালার্ম কাজ করছিল না বলে জানা গিয়েছে। হঠাৎ আগুন লাগলে ধোঁয়া শনাক্ত করে সতর্কবার্তা দেওয়ার ক্ষেত্রে এই যন্ত্রগুলির ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
শুধু শপিং মল নয়, মেট্রো প্লাজা বহুতলে আবাসন এবং অফিসও রয়েছে। ফলে আগুন লাগলে বিপুল সংখ্যক মানুষকে নিরাপদে বার করে আনা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। জরুরি পরিস্থিতিতে বেরোনোর পথ বা ‘এক্সিট পয়েন্ট’ নিয়েও সন্তুষ্ট হতে পারেননি পরিদর্শনকারী আধিকারিকেরা। এ দিনের পরিদর্শনে উঠে আসা বিষয়গুলির ভিত্তিতে মল কর্তৃপক্ষকে একাধিক নির্দেশ দিয়েছে দমকল। অগ্নি–নিরাপত্তা ব্যবস্থার গলদগুলি দ্রুত সংশোধন করার কথাও বলা হয়েছে।
এ দিন পরিদর্শনের বিষয়ে মল কর্তৃপক্ষের তরফে নাজির আহমেদ বলেন, ‘‘এখনও বন্ধ করার কথা বলা হয়নি। আমরা দমকল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করছি। তাঁরা যে নির্দেশ দেবেন, সেই মতো পদক্ষেপ করা হবে।"