• পুজোর আগে রেকর্ড বুকিংয়ের বন্যা, উৎসবের মরশুমে পর্যটন ব্যবসায়ীদের পোয়াবারো
    News18 বাংলা | ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • জলপাইগুড়ি, সুরজিৎ দে: পুজো মানেই বাঙালির ভ্রমণপিপাসু মন ছুটে যেতে চায় প্রকৃতির কোলে। তবে এ বছর উৎসবের মরশুমে প্রতিবেশী নেপালের প্রতিকূল আবহাওয়া ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের ভীতি পর্যটকদের পরিকল্পনায় বড় বদল আনছে। পুজোর ছুটিতে রয়েছে নেপালে দুর্যোগের শঙ্কা, এদিকে পাহাড় ও ডুয়ার্সে, সমতলে পর্যটকদের ঢল নামতে পারে এমনটাও আগাম ভাবনা রয়েছে সংশ্লিষ্ট মহলের। মূলত নিরাপত্তার কারণেই নেপাল এড়িয়ে ভ্রমণপ্রেমীরা এবার বিপুল সংখ্যায় মুখ ফেরাচ্ছেন উত্তরবঙ্গের পাহাড় ও ডুয়ার্সের সমতলের দিকে।

    পর্যটন মহলের দাবি, দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি এবং আলিপুরদুয়ার জেলায় ইতিমধ্যেই অগ্রিম বুকিংয়ের হিড়িক চোখে পড়ার মতো। পর্যটন ব্যবসায়ী রাজ বসুর দাবি, নেপাল নিয়ে তৈরি হওয়া আশঙ্কার কারণেই এই বছর পর্যটকদের প্রধান গন্তব্য হয়ে উঠছে উত্তরবঙ্গ। বহু মানুষ পাহাড় ও বনাঞ্চলের বিকল্প পথ বেছে নিচ্ছেন। স্থানীয় পর্যটন ব্যবসায়ী সব্যসাচী সরকারের কথায়, কালিম্পং, সিকিম থেকে শুরু করে ডুয়ার্সের বিভিন্ন প্রান্তে পর্যটকদের ব্যপক সাড়া মিলছে। তবে পর্যটনের সার্বিক সাফল্য শেষ পর্যন্ত প্রকৃতির মর্জির ওপরই নির্ভর করছে।

    খামখেয়ালি বৃষ্টি বা ধস না নামলে এ বছর পর্যটন ব্যবসায়ীদের দীর্ঘদিনের মন্দা কাটবে বলেই আশা। এদিকে বর্ষার তিন মাসের বিধিনিষেধ শেষে আগামী ১৬ সেপ্টেম্বর থেকেই পর্যটকদের জন্য খুলে দেওয়া হচ্ছে উত্তরের সব বনাঞ্চলের দ্বার। গরুমারা জাতীয় উদ্যানের কাছাকাছি লাটাগুড়ি, রামসাই ও মালবাজার এলাকায় বহু বেসরকারি বিলাসবহুল রিসর্ট এবং স্থানীয় হোমস্টে প্রস্তুত রাখা হয়েছে। পাশাপাশি, বন দফতরের নিজস্ব বাংলো ও কটেজগুলিতেও মিলছে অনলাইনে বুকিংয়ের সুবিধা।
  • Link to this news (News18 বাংলা)