• কালীবাড়িগুলিতে পুজোয় মায়ের পায়ে ছোঁড়া যাবে না ফুল  বসে ভোগ খাওয়া বন্ধ
    বর্তমান, 18 October 2020
  • দিব্যেন্দু বিশ্বাস, নয়াদিল্লি: করোনা সংক্রমণের ভয়। আর তাই সাবেকিয়ানা বজায় রাখলেও রাজধানী দিল্লির বিভিন্ন কালীবাড়ির পুজোয় এবার বন্ধ দশমীর চিরাচরিত সিঁদুর খেলা। বরং ভিড় এড়াতে বিশেষ পদক্ষেপ করছেন কালীবাড়ির পুজো উদ্যোক্তারাই। অঞ্জলির সময় কোনওমতেই মায়ের পায়ে ছোঁড়া যাবে না ফুল কিংবা বেলপাতা। থার্মাল স্ক্রিনিংয়ের পর যদি বোঝা যায়, করোনার উপসর্গ নেই, একমাত্র তাহলেই প্রবেশের অনুমতি পাবেন দর্শনার্থীরা। তবে মাতৃমন্দির সর্বজনীন দুর্গাপুজো সমিতি এবার ঘটে পুজোর ব্যবস্থা করলেও নিউ দিল্লি কালীবাড়ি, দক্ষিণ দিল্লি কালীবাড়ি, মিন্টো রোড কালীবাড়ি এবং দ্বারকা কালীবাড়িতে প্রতিমাতেই পুজো হবে। নিউ দিল্লি কালীবাড়ির পুজোর অন্যতম আয়োজক স্বপনকুমার গঙ্গোপাধ্যায় বললেন, ‘এবার প্রতিমাকে স্পর্শ করতে দেওয়া হবে না। কমিটির কোনও একজন মহিলা সদস্য নির্দিষ্ট সময়ে মা’কে বরণ করবেন।’ মন্দির চত্বরে অযথা দর্শনার্থীদের ভিড় যাতে না হয়, সেই কারণে এবার অভিনব ব্যবস্থা করছে নিউ দিল্লি কালীবাড়ি কর্তৃপক্ষ। এখানে অঞ্জলির জন্য ফুল-বেলপাতা মন্দির কমিটি যেমন সরবরাহ করবে না, তেমনই দর্শনার্থীদেরও আনতে দেওয়া হবে না। ভোগের ব্যবস্থা থাকলেও বসে খাওয়ানোর বন্দোবস্ত এবার নেই। স্বপনবাবু জানালেন, ‘পুরোটাই প্যাকেটবন্দি হবে। সপ্তমী থেকে নবমী প্রতিদিন ভোগ হবে। রসিদ কেটে তা সংগ্রহও করতে পারবেন দর্শনার্থীরা।’ দক্ষিণ দিল্লি কালীবাড়ির পক্ষে অনির্বাণ ঘোষ জানালেন, ‘দশমীতে নিয়ম মেনে মায়ের বরণ অবশ্যই হবে। তবে সিঁদুর খেলার ঝুঁকি নেওয়া যাবে না।’ এখানে এবার বারোয়ারি ভোগ খাওয়ানোও বন্ধ থাকবে। মিন্টো রোড কালীবাড়ির পুজোর অন্যতম উদ্যোক্তা উৎপল সরকারও জানালেন, সন্ধ্যারতির পরেই বন্ধ করে দেওয়া হবে মন্দিরের দরজা। দ্বারকা কালীবাড়ির পুজোর জনসংযোগের দায়িত্বে থাকা জয়ন্ত ঘোষ বললেন, ‘প্রতিদিন বেলা ১টা থেকে বিকেল ৫টা এবং রাত ৮টা থেকে ১০টা পর্যন্ত দর্শনার্থীদের মন্দিরে প্রবেশের অনুমতি থাকবে। কিন্তু দূরত্ববিধি বজায় রাখতেই হচ্ছে।’ এখানে অবশ্য অনলাইনে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের ব্যবস্থা থাকবে। এই বছর অবশ্য ঘটে পুজো করবে মাতৃমন্দির।  
  • Link to News (বর্তমান)