• Bhutan Tourism: পর্যটকদের জন্য় একগুচ্ছ সুবিধা! ভুটান সফর এবার আরও আকর্ষণীয়
    এই সময় | ২৯ মার্চ ২০২৪
  • পর্যটকদের জন্য সুখবর। এবার আরও ভুটান উপভোগ হবে আরও বেশি দৃষ্টিনন্দন। বিশ্বে বিস্মিত হওয়ার মতো অসংখ্য দৃষ্টিনন্দন স্থান আছে। কোনওটি অনেক বেশি জনপ্রিয়, কোনওটি আবার কিছুটা কম। হিমালয়ের কেন্দ্রে অবস্থিত ভুটান অসাধারণ প্রাকৃতিক দৃশ্য এবং সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য দিয়ে ভ্রমণকারীদের মুগ্ধ করে। এবার পর্যটকদের জন্য 'ড্রুক নেইকর প্রোগাম' চালু করল ভুটানের পর্যটন বিভাগ।এই প্রোগামের অধীনে পর্যটকরা ১০৮টি পর্যটন ক্ষেত্রের সৌন্দর্য্য তাড়িয়ে তাড়িয়ে উপভোগ করতে পারবেন পর্যটকরা। এই প্রোগামের মাধ্যমে বাছাই করা বিভিন্ন অঞ্চল, মিনার ঘুরে দেখতে পারবেন পর্যটকরা। এই প্রোগামের উদ্দেশ্য হল পর্যটকদের কাছে আরও বেশি করে দেশের সংস্কৃতি, ঐতিহত্য, ইতিহাস, ধর্মীয় বিশ্বাসকে তুলে ধরা ও সেই সম্বন্ধে তাঁদের জ্ঞান আহরণে উৎসাহিত করা।

    দেশের পর্যটন শিল্পকে চাঙ্গা করতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ভ্রমণ পিপাসুদের আরও বেশি করে এই দেশের প্রতি ঝোঁক বাড়ানোই উদ্দেশ্য। হিমালয়ের দিগন্তবিস্তৃত রূপ আর অন্য দিকে আধ্যাত্মিকতা, ভুটানের মূল আকর্ষণ। এ ছাড়া সোনালি ধানক্ষেত, নদীর কল্লোল, নানা রঙের অর্কিড, ছোট ছোট রঙিন কাঠের বাড়ি— ভুটান যেন স্বপ্নের দেশ। যেখানে গেলে মন ভালো হয়ে যেতে বাধ্য। পারো, থিম্পু, ফুন্টশেলিংয়ের নজরকাড়া সৌন্দর্য মুগ্ধ করবে আপনাকে। আর এসবের মধ্যমেই পর্যটকদের আরও বেশি করে ভুটানমুখী করতে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে সেদেশের সরকারের তরফে।

    কী কী দেখা যাবে?

    প্রাথমিক পর্যায়ে ভুটানের রাজধানী থিম্পুর ১৬টি অঞ্চল অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। পর্যটকরা ওয়াংডিটসে লাখাং, শেলুং নে এবং তালাংখা ড্রুগেল গোয়েনপা ঘুরে দেখতে পারবেন। সেখানে যেসব সৌধ, মিনার ও অন্যান্য দর্শনীয় স্থান রয়েছে সেগুলো ঘুরে দেখার সুযোগ রয়েছে।জানতে পারবেন জায়গাগুলির অন্যন্য সংস্কৃতি, ও ইতিহাস।

    পর্যটকরা তাঁদের পছন্দ মতো হেঁটে, কোনও যানবাহনে চেপে জায়গাগুলি ভ্রমণ করতে পারবেন। পাশাপাশি, পর্যটকরা যাতে ভ্রমণস্থলের আশপাশেই থাকার জায়গা পান, সুযোগ-সুবিধা স্বাচ্ছন্দ লাভ করেন সেই বিষয়টিও নিশ্চিত করা হবে এই প্রোগামের মাধ্যমে। ড্রুক নেইকর প্রোগামের মাধ্যমে নিশ্চিন্তে ভুটানের সংস্কৃতি, আধ্যাত্মিক ভাণ্ডডার অন্বেষণের দিকে মনোনিবেশ করতে পারবেন পর্যটকরা। এই প্রোগামের উদ্দেশ্য় হল, পর্যটকরা যাতে হেসেখেলে স্বাচ্ছন্দ্যে ভুটান ঘুরে দেখতে পারেন তা নিশ্চিত করা। ড্রুক নেইকর প্রোগামের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হল এর উদ্ভাবনী পাসপোর্ট ব্যবস্থা।

    এই সিস্টেমের মাধ্যমে পর্যটকরা যে যে ধর্মীয় স্থানে ভ্রমণ করবেন সেখান থেকে স্ট্যাম্প সংগ্রহ করতে পারবেন। টাইগারস নেস্ট মঠ, ড্রুক ওয়াংগেল চোরটেন, ডোচুলার ছবি সমন্বিত ডাকটিকিটগুলি পর্যটকরা সংগ্রহ করতে পারবেন যেগুলি তাঁদের ভ্রমণকে আরও স্মরণীয় করে তুলবে। এছাড়ও পাসপোর্ট সিস্টেমের অংশ হিসাবে দেওয়া স্ট্যাম্প বইয়ে থাকছে OR কোড। এই কোডগুলি স্ক্যান করার মাধ্যমে, ভ্রমণকারীরা ভুটানের সাংস্কৃতিক ও ঐতিহাসিক তাৎপর্য সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য আহরণ করতে পারবেন। তাঁদের জ্ঞানের পরিসরও বাড়বে।
  • Link to this news (এই সময়)