• বনগাঁয় জালনোট: পুলিসকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা ধৃতের
    বর্তমান | ২৮ অক্টোবর ২০২১
  • নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: বনগাঁয় ধৃত জালনোটের কারবারির সঙ্গে আন্তর্জাতিক চক্রের কি কোনও যোগসূত্র রয়েছে? এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে পুলিস। ধৃত যুবক জেরায় তদন্তকারীদের বিভ্রান্ত করারই চেষ্টা করেছে। সে পুলিসকে জানিয়েছে, এক ব্যবসায়ীর কাছে পাট বিক্রি করে সে এই টাকা পেয়েছিল। যদিও দুঁদে পুলিস কর্তারা তার তথ্যকে খুব একটা ধর্তব্যের মধ্যে আনছেন না। নানা সূত্র মারফত তথ্য জোগাড়ের পাশাপাশি তার সঙ্গে শেষ কয়েক মাসে কারা যোগাযোগ করেছে, কাদের সঙ্গে সে ফোনে কথা বলেছে, সবই খতিয়ে দেখছে পুলিস।  প্রসঙ্গত, সোমবার বিকেলে বনগাঁর মণিগ্রামের এক পেট্রল পাম্পে তেল ভরতে এসে জালনোট দিয়েছিল ধৃত অমিত প্রামাণিক। তার গাড়িতেও লাগানো ছিল পুলিসের স্টিকার। কিন্তু পাম্পের কর্মীদের সন্দেহ হওয়ায় তাঁরা টাকা পরীক্ষা করেন। সেগুলি যে জাল, তা বোঝার পর তাকে ধরে ফেলেন পাম্পের কর্মীরা। পরে পুলিস এসে তাকে গ্রেপ্তার করে নিয়ে যায়। প্রাথমিক তদন্তে পুলিস জানতে পারে, ওই যুবকের এক দাদা কলকাতা পুলিসে হোমগার্ডের চাকরি করেন। ওই দাদার গাড়িতে করেই পরিবার নিয়ে ঘুরতে বেরিয়েছিল সে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ধৃত যুবক পুলিসকে জানিয়েছে, সে পাট চাষ করে। কয়েক দিন আগে বাগদার এক ব্যবসায়ীকে সে পাট বিক্রি করেছিল। সেই টাকা নিয়েই সোমবার সে বনগাঁয় এসেছিল। তার দাবি, জাল নোটের উৎস ওই পাট ব্যবসায়ী। যদিও পুলিস তার এই কথা বিশ্বাস করতে রাজি নয়। কারণ, ৫০ হাজার টাকার পাট বিক্রি করেছিল অমিত। যে ব্যবসায়ী সেই পাট কিনেছেন, টাকার বান্ডিলের মধ্যে তিনি ২৮ হাজার টাকার জালনোট ভরে দেবেন, এটা কার্যত অসম্ভব। তাছাড়া ওই পাট ব্যবসায়ী এলাকার বহু মানুষের কাছ থেকে পাট কিনেছেন। ধৃতের সঙ্গীদের পাশাপাশি তার মোবাইল ফোন সহ অন্যান্য সূত্র খতিয়ে দেখছে পুলিস। 
  • Link to this news (বর্তমান)