• রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের ১৭তম অধ্যক্ষ নির্বাচিত হলেন স্বামী গৌতমানন্দ...
    ২৪ ঘন্টা | ২৪ এপ্রিল ২০২৪
  • জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: দীর্ঘদিন আগে কলকাতার অদ্বৈত আশ্রমে কাজ করে গিয়েছেন। তবে জীবনের বেশির ভাগ সময় তিনি দক্ষিণ ভারতেই কাটিয়েছেন। এখন তিনি চেন্নাইয়ে ছিলেন। চেন্নাই থেকেই তিনি পাকাপাকি ভাবে বেলুড় মঠে চলে এসেছেন। তিনি স্বামী গৌতমানন্দ। এতদিন ছিলেন অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট। এবার পাকাপাকি অধ্যক্ষপদে বৃত হলেন। 

    রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের ষোড়শ অধ্যক্ষ স্বামী স্মরণানন্দের প্রয়াণের পর সপ্তদশ অধ্যক্ষ বা প্রেসিডেন্ট মহারাজ-পদে নির্বাচিত হলেন স্বামী গৌতমানন্দ। মঠ ও মিশনের নিয়মানুযায়ী, গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে স্থায়ী অধ্যক্ষ নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত অন্তর্বর্তীকালীন অধ্যক্ষের নেতৃত্বে কাজকর্ম পরিচালিত হয়। সেইমতো মঠের অছি পরিষদের বৈঠকে স্বামী গৌতমানন্দের নাম অন্তর্বর্তীকালীন অধ্যক্ষ হিসেবে চূড়ান্ত হয়েছিল। স্মরণানন্দের প্রয়াণের পর থেকে তিনি অন্তর্বর্তীকালীন অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন। এবার স্থায়ী অধ্যক্ষপদে নির্বাচিত হলেন।

     

    বেলুড়ের সারদাপীঠ, বরানগর আলমবাজার মঠ, নারায়ণপুর আশ্রমের সম্পাদক এবং পরে চেন্নাই মঠের অধ্যক্ষ হয়েছিলেন স্বামী গৌতমানন্দ। বছরকয়েক আগে তিনি সংঘের সহ-অধ্যক্ষও হন। এবার অধ্যক্ষ হলেন। স্বামী স্মরণানন্দ মহারাজ রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের ষোড়শ অধ্যক্ষ ছিলেন। গত ২৬ মার্চ ৯৫ বছর বয়সে প্রয়াত হলেন। স্বামী আত্মস্থানন্দের জীবনাবসানের পরে ২০১৭ সালের ১৭ জুলাই অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন তিনি। ৭ এপ্রিল বেলুড় মঠে তাঁর স্মরণে ভাণ্ডারা অনুষ্ঠিত হল। প্রায় লক্ষ ভক্ত সেদিন এতে অংশ নিয়েছিলেন। সেদিন সারা দিন ধরে মহারাজের স্মৃতিতর্পণ করা হয়েছে। ২০২২ সালের মার্চ মাসে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন রামকৃষ্ণ মঠের অধ্যক্ষ স্বামী স্মরণানন্দ। সে সময় কলকাতার এক বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছিল তাঁকে। বেশ কয়েক দিন পরে তিনি সুস্থ হয়ে উঠেছিলেন। কিন্তু চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে আবার অসুস্থ হয়ে পড়েন।
  • Link to this news (২৪ ঘন্টা)