• ১৯ ডিসেম্বর কলকাতা পুরভোট, জারি হল বিজ্ঞপ্তি
    এই সময় | ২৫ নভেম্বর ২০২১
  • এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: ১৯ ডিসেম্বর কলকাতা পুরভোট। ১৪৪টি ওয়ার্ডে পুরনির্বাচন। ভোটের জন্য মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন ১ ডিসেম্বর। ৪ ডিসেম্বরের মধ্যে প্রত্যাহার করা যাবে মনোনয়ন। সকাল ৭টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত চলবে ভোটগ্রহণ। ২২ ডিসেম্বরের মধ্যে শেষ হবে ভোট গণনা। বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টায় সাংবাদিক বৈঠক করবে রাজ্য নির্বাচন কমিশন। অর্থাৎ অবশেষে যাবতীয় টানাপোড়েন কাটল।আজ থেকেই লাগু হচ্ছে আদর্শ আচরণবিধি। শুধু তাই নয় বৃহস্পতিবার থেকেই জমা দেওয়া যাবে মনোনয়ন। তবে হাওড়া পুরনির্বাচনের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হয়নি। অর্থাৎ ১৯ ডিসেম্বর হাওড়ায় পুরনির্বাচন হবে কিনা তা নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে।

    এরআগে একাধিক জটিলতায় আটকে ছিল নির্ঘণ্ট ঘোষণা। ১৯ ডিসেম্বর পুরনির্বাচন করতে গেলে বৃহস্পতিবারই বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করতে হবে। তার পরে করলে চলবে না। এদিকে পুরভোটের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ নিয়ে বেশ কিছু নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া রয়েছে। এই বিষয়ে আগে রাজ্য সরকারের তরফে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করতে হবে। এরপরেই কমিশন বিজ্ঞপ্তি জারি করতে পারে।

    উল্লেখ্য, বিজ্ঞপ্তি জারির ক্ষেত্রে জটিলতা তৈরি করছে হাওড়া পুরসভা। কারণ, হাওড়া পুরনিগম সংশোধনী বিল পাশ হয়েছে বিধানসভায়। কিন্তু, এই বিলে সই করেননি রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। তিনি আরও কিছু তথ্য চেয়েছেন। ফলে রাজ্যপালের সম্মতি না পাওয়া যাওয়ায় হাওড়া পুরসভার নির্বাচনে বিজ্ঞপ্তি জারি সম্ভব নয়। এর আগে রাজভবনে রাজ্য নির্বাচন কমিশনার সৌরভ দাসের সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন রাজ্যপাল। সেই সময় একটি টুইটে রাজ্যপাল লেখেন, 'রাজ্য নির্বাচন কমিশনার সৌরভ দাসের সঙ্গে দীর্ঘ আলোচনা করেছি। রাজ্য নির্বাচন কমিশনও জাতীয় নির্বাচন কমিশনের সমতূল্য। তাই তাদের নিরপেক্ষ এবং স্বাধীন থাকতে হবে।' এখানেই শেষ নয়, তিনি রাজ্য নির্বাচন কমিশনারকে প্রশ্ন করেন, 'কেন শুধু দুটি পুরসভার নির্বাচন হচ্ছে? বাকি মেয়াদ উত্তীর্ণ পুরসভার ভোট কবে হবে?'

    এদিকে রাজ্যপালের অবস্থান প্রসঙ্গে রাজ্যের মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় বলেন , 'আমরা চাই, হাওড়া পুরসভার নির্বাচন হোক। বিধানসভার ঐতিহ্য ও গরিমাকে মান্যতা দিয়ে যথা সময়ে কলকাতা ও হাওড়া পুরভার ভোট করানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। কিন্তু রাজ্যপাল যে আচরণ করছেন, তাতে উনি বিজেপির মুখপাত্র হয়ে কাজ করছেন বলে মনে হচ্ছে।

    অন্যদিকে, এই প্রসঙ্গে বাম নেতা সুজন চক্রবর্তী জানিয়েছিলেন, তারা চান সব পুরসভার এক সঙ্গে ভোট হোক । এদিকে কংগ্রেস নেতা প্রদীপ ভট্টাচার্য বলছিলেন, 'কলকাতা ও হাওড়া পুরসভার ভোট আলাদা করে করানোর পিছনে গোপন অ্যাজেন্ডা কী?' এদিকে সমস্ত পুরসভাগুলিতে একদিন ভোট চেয়েছিল BJPও।
  • Link to this news (এই সময়)