• অভিযোগ এবং সমাধানের মাসিক রিপোর্ট বানাচ্ছে উপভোক্তা দপ্তর
    বর্তমান | ২০ জুন ২০২৪
  • নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: প্রতি মাসে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে কত অভিযোগ আসছে, তার মধ্যে কতগুলির সমাধান হচ্ছে, যেগুলি নিষ্পত্তি করা যাচ্ছে না, তার কারণ কী— এ সংক্রান্ত মাসিক রিপোর্ট তৈরি করে প্রশাসনিক কাজে গতি আনতে চলেছে রাজ্যের উপভোক্তা দপ্তর। লোকসভা নির্বাচন পর্বে প্রায় মাস তিনেক ব্যাহত হয়েছে দপ্তরের প্রশাসনিক কাজকর্ম। ভোট পর্ব মিটে যাওয়ার পর এবার দপ্তরের কাজে গতি আনতে জোর দেওয়া হয়েছে। দপ্তরের মন্ত্রী বিপ্লব মিত্র এবার লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূলের টিকিটে বালুরঘাট কেন্দ্র থেকে প্রার্থী হয়েছিলেন। ফলে প্রচার পর্বে তিনি ব্যস্ত থাকায় মন্ত্রী হিসেবে দপ্তরের কাজে নজর দিতে পারেননি। বিজেপি প্রার্থী সুকান্ত মজুমদারের কাছে মাত্র ১০ হাজার ভোটে পরাজিত হন বিপ্লববাবু। ভোট মিটতেই এখন দপ্তরের কাজে ফের মনোনিবেশ করেছেন মন্ত্রী। দপ্তরের আধিকারিকদের সঙ্গে পর্যায়ক্রমে বৈঠক করছেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, দল আমাকে প্রার্থী করেছিল, তাই ভোটে দাঁড়িয়েছিলাম। এখন ভোট মিটে যেতেই দপ্তরের কাজে নজর দিয়েছি।


    বিভাগীয় আধিকারিকদের মন্ত্রীর নির্দেশ, সাধারণ মানুষ সুরাহার আশায় উপভোক্তা দপ্তরে আসেন। তাঁদের সমস্যার সমাধান করে সুরাহা দেওয়াই আমাদের কর্তব্য। তাই মানুষের কাছ থেকে যে সমস্ত অভিযোগ আসছে, তার ভিত্তিতে প্রতি মাসে রিপোর্ট তৈরি করতে হবে। কনজিউমার কোর্টে যে সমস্ত মামলা জমে আছে, তা দ্রুত সমাধান করতে হবে। কাজ ফেলে রাখলে মানুষ এই দপ্তরের উপর আশা হারাবে। 


    মূলত, খাদ্যদ্রব্য ও ব্যবহার্য জিনিসপত্রের প্যাকেটের গায়ে অতি ক্ষুদ্রভাবে উপাদান, গুণাগুণ ইত্যাদি লেখা থাকে। যা পড়তে অসুবিধা হয় সাধারণ মানুষের। ওই হরফ যাতে বড় করা যায় এবং তা দৃষ্টিনন্দন হয়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সংস্থার উপর চাপ বাড়াবে দপ্তর। তাছাড়া প্যাকেটের গায়ে যে ওজন লেখা থাকে, ক্রেতারা সম ওজনের সামগ্রী পাচ্ছেন কি না, সে ব্যাপারে নজরদারি বাড়ানো হচ্ছে। পাশাপাশি আধুনিক ব্যবস্থার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই এবার প্রচারের কৌশল বদল করছে উপভোক্তা দপ্তর।
  • Link to this news (বর্তমান)