ছাদে ফল ও সব্জির বাগান করে অন্যদের উৎসাহ জোগাচ্ছেন ময়নাগুড়ির ব্যবসায়ী
বর্তমান | ২৪ জুন ২০২৪
সংবাদদাতা, ময়নাগুড়ি: আমরা বাঞ্ছারামের বাগানের কথা শুনেছি। তা থেকে উৎসাহিত হয়ে বাড়ির ছাদে সব্জি ও ফলের বাগান তৈরি করেছেন ময়নাগুড়ি শহরের ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা সিদ্ধার্থ সরকার। জৈব পদ্ধতিতে তিনি তৈরি করেছেন এই বাগান। বাড়ির সামনের বাজার থেকে ফেলে দেওয়া সব্জি ও বাড়িতে রান্নায় ব্যবহৃত সব্জির খোসা পচিয়ে সার বানিয়ে প্রয়োগ করেছেন বাগানে। কোনও রাসায়নিক সার ছাড়াই তাঁর বাগান ফুলে ফলে ভরে গিয়েছে। রাসায়নিক সার ছাড়াও যে সুন্দরভাবে বাগান করা যায় তা সিদ্ধার্থবাবু দেখিয়ে দিয়েছেন। অন্য কেউ যদি এমন বাগান তৈরি করতে চান, তাহলে তিনি পরামর্শ দেবেন বলে জানিয়েছেন।
সিদ্ধার্থবাবুর ছাদবাগানে প্রচুর ফলের গাছ রয়েছে। আপেল, কমলা, জলপাই, করমচা, বেদানা, চেরি, বেল, আম, আমলকী, ড্রাগন ফল থেকে শুরু করে রয়েছে কুল, আতা, জাম, জামরুল, বিভিন্ন প্রজাতির লেবু, আলুপোকরা, সজনে, কামরাঙা। সেইসঙ্গে মরশুমি সব্জি রয়েছে। তিনি ১৫ বছর ধরে নিজের হাতে বাগানের পরিচর্যা করেন। বাগানের সব্জিতেই চলে বাড়ির রান্না। মাঝেমধ্যে আত্মীয়, বন্ধুদেরও তা দেন। সিদ্ধার্থবাবু বলেন, আমি একজন ব্যবসায়ী। সে কারণে সারাদিন এই বাগান পরিচর্যা করার সময় পাই না। রাতে দোকান থেকে ফিরে পরিচর্যা করি। ফেলে দেওয়া সব্জি ও খোসা থেকে জৈবসার তৈরি করি। আর তা দিয়ে চাষ করছি। জৈব পদ্ধতিতে যে ফল বা সব্জি উৎপাদিত হয়, তা শরীরের পক্ষে ভালো। যেহেতু আমার জমি নেই, সেকারণে আমি ছাদে বাগান তৈরি করেছি। অনেকে এই বাগান দেখতে আসেন। খুব ভালো লাগে যখন এই বাগান দেখে লোকজন উৎসাহিত হন। কীভাবে বাগান তৈরি করেছি, সেটাও জানাতে ভালো লাগে।