• টোটোর দৌরাত্ম্যে নাজেহাল স্থানীয়রা
    বর্তমান | ২৪ জুন ২০২৪
  • সংবাদদাতা, কালিয়াচক: জাতীয় সড়কে যেখানে সেখানে দাঁড়িয়ে যাত্রী তুলছেন টোটোচালকরা। কালিয়াচকের চৌরঙ্গী এলাকায় টোটোচালকদের দৌরাত্ম্যে বিরক্ত ও নাজেহাল এলাকাবাসী ও বাসচালকরা। এমনকী, জাতীয় সড়কের ধারে সারি সারি টোটো দাঁড়িয়ে থাকে। এতে যে কোনও সময় দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছেন অনেকে। কালিয়াচক থানার আইসি সুমন রায়চৌধুরী জানিয়েছেন, আমরা কড়া নজর রাখছি। টোটোর জন্য যাতে রাস্তায় যানজট না হয়, সেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে‌। 


    কালিয়াচকের চৌরঙ্গী এলাকায় প্রতিদিন লোকসমাগম হয়। সেখান থেকে বিভিন্ন গন্তব্যে যান স্থানীয়রা। কিন্তু সকাল থেকে রাত পর্যন্ত টোটোর দাপটে সমস্যায় যাত্রীরা। স্থানীয়দের অভিযোগ, যত্রতত্র টোটো দাঁড়িয়ে থাকায় যানজট  হচ্ছে। 


    ট্রাফিক পুলিস, স্থানীয় প্রশাসনের আধিকারিকরা টোটোর বিরুদ্ধে বারবার অভিযান চালিয়েও দৌরাত্ম্য বন্ধ হয়নি। স্থানীয় বাসিন্দা জিয়াউল হকের দাবি, টোটোর জন্য যানজট বেড়ে গিয়েছে। এজন্য যাতায়াতে সমস্যা হচ্ছে। জাতীয় সড়ক, রাস্তার অলিগলিতে দাঁড়িয়ে থাকে টোটোগুলি।


    টোটোর দৌরাত্ম্যর কথা স্বীকার করে নিয়েছেন জেলা পরিষদের সদস্য আব্দুর রহমান। তিনি বলেন, জাতীয় সড়কে যেখানে-সেখানে টোটো দাঁড়িয়ে যাত্রী তোলে। এতে যে কোনও সময় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। বাসিন্দাদের বক্তব্য, টোটোচালকরা অতিরিক্ত যাত্রী নিয়ে জাতীয় সড়ক দিয়ে ছুটছে। যে কোনও সময় দুর্ঘটনা ঘটলে এর দায় কে নেবে? 


    চৌরঙ্গী এলাকায় এর আগে বেশ কয়েকবার টোটো উল্টে অনেকে জখম হয়েছে। তারপরও টোটোচালকদের হুঁশ ফিরছে না। তাঁদের এই আচরণে ক্ষুব্ধ স্থানীয় বাসিন্দা থেকে ব্যবসায়ী, সবাই। কালিয়াচক টোটো ইউনিয়নের নেতা রফিকুল শেখ বলেন, চৌরঙ্গী এলাকায় সবাই দাঁড়িয়ে থাকে, তাই আমরা সেখান থেকে যাত্রী তুলি। আমাদের এখানে সব রাস্তাই জাতীয় সড়ক সংলগ্ন। তাই জাতীয় সড়ক হয়ে টোটো চালাতে হয়। নাহলে খাব কী?    
  • Link to this news (বর্তমান)