• এক বছরেই বেহাল পথশ্রী প্রকল্পের রাস্তা, ওভারলোডেড বালির গাড়িই ভিলেন
    বর্তমান | ২৬ জুন ২০২৪
  • সংবাদদাতা, মানকর: এক বছরের মধ্যেই বেহাল পথশ্রী প্রকল্পে তৈরি রাস্তা। অভিযোগ, এই রাস্তায় অতিরিক্ত বালি নিয়ে ট্রাক্টর যাচ্ছে। এত চাপ নেওয়ার ক্ষমতা রাস্তার নেই। তাই রাস্তা তাড়াতাড়ি নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। বেহাল রাস্তার জেরে বিপাকে পড়েছেন স্থানীয়রা। রাজ্যের পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রী প্রদীপ মজুমদার বলেন, বালির বেআইনি কারবার নিয়ে আমাদের সরকার কড়া নির্দেশ দিয়েছে। অভিযোগ থাকলে আমায় দিন। প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে প্রতিরোধ করা হবে।  


    গলসি-১ ব্লকের চাঁকতেঁতুল পঞ্চায়েতের শালডাঙায় ২৮ লক্ষ ৯৪ হাজার টাকা ব্যয়ে প্রায় এক কিলোমিটার রাস্তা তৈরি হয়। পথশ্রী প্রকল্পের অধীনে রাস্তা নির্মিত হলেও অল্প কয়েকদিনের মধ্যেই তা বেহাল হয়ে পড়ে। মাত্র এক বছরের মধ্যেই রাস্তার বিভিন্ন জায়গায় গর্ত তৈরি হয়েছে। ফলে যাতায়াত করতে সমস্যা হচ্ছে স্থানীয়দের। বৃষ্টি হলে রাস্তায় জল জমছে। তাঁদের দাবি, অবিলম্বে রাস্তা মেরামত না হলে বড় দুর্ঘটনা ঘটে যাবে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক বাসিন্দা বলেন, লক্ষাধিক টাকা ব্যয় করে রাস্তা হল। কিন্তু আমাদের দুর্ভোগ ঘুচল না।


    এক বছরের মধ্যেই কেন এমন বেহাল দশা রাস্তার তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। রাস্তাটির ঠিকাদার সৌরভ চট্টোপাধ্যায়ের দাবি, বালি বোঝাই ওভারলোডেড ট্রাক্টরের যাতায়াতের ফলেই রাস্তার এই অবস্থা। 


    তিনি বলেন, যত টাকার কাজ হয় তার দশ শতাংশ গ্যারান্টি মানি হিসাবে জমা রাখতে হয়। রাস্তার ক্ষতি হলে ওই টাকা দিয়ে মেরামত করতে হয়। যেভাবে রাস্তা তৈরি হয়েছিল তাতে দশ বছরে ক্ষতি হতো না। কিন্তু দামোদর থেকে অতিরিক্ত বালি বোঝাই ট্রাক্টর ওই রাস্তা দিয়ে চলাচল করছে। তাঁর অভিযোগ, বিষয়টি প্রশাসনের নজরে এনেও লাভ হয়নি। উপরন্তু হুমকি ফোন আসছে। তবে অভিযোগ অস্বীকার করে তৃণমূল পরিচালিত পঞ্চায়েত প্রধান অনুপকুমার মেটে বলেন, আগে ওই ঠিকাদার তৃণমূলের সঙ্গে থাকলেও এখন বিজেপিতে আছেন। উনি দিশেহারা হয়ে অহেতুক সরকারকে বদনাম করার চেষ্টা করছেন। 


    গলসি-১ ব্লকের বিডিও জয়প্রকাশ মণ্ডল বলেন, সমস্যার কথা শুনেছি। প্রশাসনের তরফে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
  • Link to this news (বর্তমান)