• শতাব্দীপ্রাচীন নালাগোলা হাটে টিনের শেডটুকুও নেই
    বর্তমান | ২৬ জুন ২০২৪
  • সংবাদদাতা, হবিবপুর: শতাব্দীপ্রাচীন নালাগোলা হাটে এখনও তৈরি হয়নি কোনও টিনের শেড বা ছাউনি। গ্রীষ্ম থেকে বর্ষা- সারাবছরই ত্রিপলের নীচেই কাটিয়ে দিতে হয় ব্যবসায়ীদের। কোনও রকমে ত্রিপলের নীচে চলে বিকিকিনি। অবিলম্বে হাটে শেড সহ অন্যান্য পরিকাঠামো বৃদ্ধির দাবিতে সরব হয়েছেন ব্যবসায়ীরা। 


    যদিও হাট এলাকার বাসিন্দাদের একাংশের আপত্তিতে শেড তৈরির কাজ করা যাচ্ছে না বলে বামনগোলা পঞ্চায়েত সমিতির সহ সভাপতি সুনীল বর্মনের দাবি। সবাইকে নিয়ে আলোচনায় বসে সমস্যার সমাধানের আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।


    এখন প্রায় তিনবিঘা জমিতে নালাগোলা হাট বসে। সপ্তাহে দু’দিন হাট বসে। রবি ও বুধবার। এই দু’দিন বিভিন্ন এলাকা থেকে পাঁচশোরও বেশি দোকানদার হাটে পসরা সাজিয়ে বসেন। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত চলে কেনাবেচা। হাটের দিনে প্রায় কুড়ি হাজার মানুষের সমাগম হয়। স্থানীয় পঞ্চায়েত সমিতি হাটে একটি শৌচালয়ও বানায়। তবে মহিলাদের জন্য আলাদা শৌচালয় নেই। সব থেকে বেশি সমস্যা শেড না থাকায়। পঞ্চায়েত সমিতির সহ সভাপতির বক্তব্য, হাটের পিছনে থাকা বাড়ি মালিকদের আপত্তিতে টিনের শেড বসানো যায়নি। এই হাটে শাকসব্জি বিক্রি করেন বুড়ি সাহা নামে এক মহিলা। তিনি জানান, বৃষ্টি পড়লে দোকানের সামনে জল কাদা হয়ে যায়। একটিমাত্র শৌচালয় রয়েছে। পুরুষ, মহিলা সবাই সেটা ব্যবহার করেন।


    হাট কমিটির সদস্য কেবল সরকার বলেন, এই হাটে বেশ কিছু সমস্যা রয়েছে। সময়ের সঙ্গে বদলায়নি হাটের পরিকাঠামোগত চিত্র। কিছুদিন আগে হাটের সরকারি ডাক হয়েছে। সমস্যার কথা জানানো হয়েছে প্রশাসনকে। পঞ্চায়েত সমিতির সহ সভাপতি বলেন, বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি। ফান্ড এলে মহিলাদের জন্য আলাদা শৌচালয় বানানো হবে। 
  • Link to this news (বর্তমান)