উদ্ধার হওয়া হাড় কি নিখোঁজ আইনজীবীর? ডিএনএ রিপোর্ট নিয়ে ধোঁয়াশা
বর্তমান | ২৭ জুন ২০২৪
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: কোর্টের নির্দেশেই ডিএনএ পরীক্ষা হয়েছিল। সেই রিপোর্ট আসতে গড়িয়ে যায় দীর্ঘ সময়। তার উপর ওই রিপোর্টের বিষয়বস্তু নিয়ে নানা ধোঁয়াশার সৃষ্টি হয়েছে। এর ফলে চিৎপুর থানা এলাকার একটি পরিত্যক্ত বাড়ি থেকে দশ মাস আগে যে হাড়গোড় উদ্ধার হয়েছিল, তা শিয়ালদহ আদালতের নিখোঁজ আইনজীবী পার্থ সাহার কি না, সেই জট এখনও খুলল না। বুধবার শিয়ালদহ আদালতে এনিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন মামলাকারীর আইনজীবী জয়ন্ত দত্ত। তিনি বলেন, বিষয়টি নিয়ে অহেতুক জল ঘোলা হচ্ছে। আমরা চাই, প্রকৃত সত্য প্রকাশ্যে আসুক। তিনি বলেন, এদিন আদালতে যে রিপোর্ট পেশ করা হয়েছে, তা নিয়ে বিভ্রান্তি রয়েছে। আমরা চাই, আদালতের কাছে সুস্পষ্টভাবে ডিএনএ পরীক্ষার রিপোর্ট পেশ করা হোক। এরপর বিচারক ফের পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট পেশ করার নির্দেশ দেন। একইসঙ্গে তদন্তকারী অফিসারকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করতে বলে আদালত। আগামী ১০ জুলাই ওই রিপোর্ট পেশের দিন ধার্য হয়েছে।
আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০২২ সালের অক্টোবর মাসে চিৎপুর থানা এলাকার নর্দার্ন অ্যাভিনিউয়ের বাড়ি থেকে রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হন শিয়ালদহ কোর্টের আইনজীবী পার্থ সাহা। দশ মাস পর তাঁর বাড়ির কাছে একটি পরিত্যক্ত বাড়ি থেকে উদ্ধার হয় কিছু হাড়গোড়। পুলিসের প্রাথমিক অনুমান, ওই হাড়গোড় নিখোঁজ আইনজীবীর। কিন্তু পার্থবাবুর স্ত্রী আদালতে দাবি করেন, এ বিষয়ে আইন মেনে ডিএনএ পরীক্ষা করা হোক। তার ভিত্তিতে আদালত ওই আর্জি মঞ্জুর করে। আর জি কর হাসপাতালে ওই আইনজীবীর মা এবং ছেলের রক্তের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। উদ্ধার হওয়া হাড়গোড়ের সঙ্গে ওই রক্তের ডিএনএ মেলে কি না, তা জানতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়। কিন্তু দীর্ঘদিন বাদে ডিএনএ পরীক্ষার রিপোর্ট এলেও তা নিয়ে নানা বিতর্ক থেকে গিয়েছে।