• সল্টলেকের পর নিউটাউন, জবরদখল সরাল এনকেডিএ
    বর্তমান | ২৭ জুন ২০২৪
  • নিজস্ব প্রতিনিধি, বিধাননগর: মুখ্যমন্ত্রীর ‘ধমকের’ পরদিনই সল্টলেকে জবরদখল সরানোর কাজে নেমেছিল পুলিস ও পুরসভা। বুধবার নিউটাউনেও জবরদখল সরাতে মাঠে নামল নিউটাউন কলকাতা ডেভেলপমেন্ট অথরিটি (এনকেডিএ)। নিউটাউনের কোল ভবন সংলগ্ন এলাকায় প্রায় ১১টি দোকানকে সরানো হয়েছে। প্রথমে দোকানদাররা বাধা দিয়েছিলেন। কিন্তু তারপর কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলার পর তাঁরা সরে যান। এনকেডিএ জানিয়েছে, কাউকে উচ্ছেদ করা হচ্ছে না। সবাইকেই পুনর্বাসন দেওয়া হচ্ছে।


    নিউটাউনে সরকারি জমিতে অনেক জায়গায় জবরদখলকারীরা ছিলেন। গত কয়েক বছরে বেশিরভাগ দোকানকেই পুনর্বাসন দেওয়া হয়ে গিয়েছে। এনকেডিএ সূত্রে জানা গিয়েছে, কোল ভবন এলাকায় একাধিক অস্থায়ী দোকান ছিল। সবগুলিই জবরদখল করে ছিল। ওই দোকানদারদের জন্য আগেই বাজার তৈরি করে দেওয়া হয়েছে। সেখানে সকলে উঠে চলে গিয়েছেন। কিন্তু ১১টি অস্থায়ী দোকান থেকে গিয়েছিল। তারা সরছিল না। এদিন সকালে সিইও প্রশান্ত গড়াই সহ এনকেডিএ’র আধিকারিকরা ঘটনাস্থলে যান। তাঁদের সঙ্গে নিউটাউন থানার পুলিস ছিল। প্রথমে ওই দোকানদাররা বলেন, তাঁরা কিছুতেই সরবেন না। তখন সিইও প্রশান্তবাবু হ্যান্ড মাইকে তাঁদের পুনর্বাসনের বার্তা দেন। তারপর ধীরে ধীরে দোকানদাররা সরে যান। ফুটপাতের ধারে তাঁরা ত্রিপল টাঙিয়ে বসেছিলেন। সেগুলি খুলে দেওয়া হয়েছে। সাময়িকভাবে উত্তেজনা তৈরি হয়েছিল। তবে কেউই সরকারের সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেনি। প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, নিউটাউনের তারুলিয়া এলাকায় কিছু জবরদখল রয়েছে। সেগুলিও সরানো হবে।


    প্রসঙ্গত, গার্ডেনরিচ কাণ্ডের পর বেআইনি নির্মাণ রুখতে বিভিন্ন পুরসভা এলাকাতেই কড়া পদক্ষেপ শুরু হয়েছিল। গত এপ্রিল মাসে নিউটাউন শহরেও জবরদখল রুখতে সার্ভেইলেন্স টিম অর্থাৎ নজরদারি টিম গঠন করেছে এনকেডিএ কর্তৃপক্ষ। ওই টিমের সদস্যরা গোটা এলাকায় ঘুরে কাজ করছেন। এই টিমের জন্য নিউটাউনের তিনটি অ্যাকশন এরিয়ায় মোট ১৪জন ফিল্ড সুপারভাইজারকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এনকেডিএ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, যাঁরা পুরনো তাঁদের প্রায় সকলকেই পুনর্বাসন দেওয়া হচ্ছে। তবে নতুন করে কেউ যাতে জবরদখল না করে সেদিকে লক্ষ্য রাখা হচ্ছে।
  • Link to this news (বর্তমান)