বীরভূম জেলায় ফাঁকা ২ হাজার ৮০০ একর খাসজমি, রিপোর্ট নবান্নে
বর্তমান | ২৮ জুন ২০২৪
নিজস্ব প্রতিনিধি, সিউড়ি: দুই একরের বেশি এলাকাযুক্ত ২ হাজার ৮০০ একর সরকারি খাসজমি ফাঁকা পড়ে রয়েছে বীরভূম জেলায়। সেই রিপোর্টই নবান্নে পাঠাল জেলা প্রশাসন। এইসব জমি শিল্পের কারণেও ব্যবহার করা যেতে পারে। তবে এটা প্রাথমিক রিপোর্ট। আরও কিছু খাস জমি থাকতে পারে বলে অনুমান প্রশাসনিক আধিকারিকদের। সেই সার্ভেও শুরু হয়েছে। এর আগে মুখ্যমন্ত্রী ল্যান্ড ব্যাঙ্কের হিসেব প্রত্যেক জেলাকে রাখতে বলেছিলেন। নির্দেশ দিয়েছিলেন, দুই একরের বেশি প্লট আছে এমন খাস জমির তালিকা তৈরি করতে। সেই মতো বীরভূম জেলা প্রশাসনও একটি রিপোর্ট তৈরি করে নবান্নে পাঠিয়েছে। তাতে দেখা গিয়েছে, জেলার ১৯টি ব্লকের মধ্যে দুবরাজপুর, রামপুরহাট-১ ব্লকে সবচেয়ে বেশি খাস জমি রয়েছে। প্রায় ৮০০ একর করে জমি এখানে রয়েছে। এছাড়াও রাজনগর, খয়রাশোলেও খাস জমির পরিমাণ প্রায় ৫০০ একর। মোট ৬৪২টি প্লটে খাস জমিগুলি চিহ্নিত করা গিয়েছে। জেলার মোট ৩৭ হাজার একর জমি রয়েছে। তার মধ্যে এই পরিমাণ জমি খাস হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এছাড়াও কিছু খাস জমি বেদখল হয়ে আছে। সেগুলিও উদ্ধারের কাজ শুরু হবে। জেলায় ৫হাজার ৪০০টি খাস প্লট রয়েছে। তা যদি মাপজোখ করতে হয়, তাহলে প্রচুর আমিনের প্রয়োজন। কিন্তু জেলায় এই মুহূর্তে মাত্র ১৮জন সরকারি আমিন রয়েছেন, যা সংখ্যায় খুবই কম বলে মনে করা হচ্ছে। তাই জমি সংক্রান্ত কাজে গতি বাড়াতে আমিনের অভাব আগে পূরণ করতে হবে বলে দাবি আধকারিকদের একাংশের। অতিরিক্ত জেলাশাসক(ভূমি ও ভূমি সংস্কার) অসীম পাল বলেন, আমরা প্রাথমিক সার্ভে করে খাস জমির রিপোর্ট পাঠিয়েছি। আবারও সার্ভে করা হবে। জমি বেদখল হয়ে থাকলে তা উদ্ধারও করা হবে।