• শিলডাঙায় দাপাল বাইসন ঘুমপাড়ানি গুলিতে কাবু
    বর্তমান | ২৯ জুন ২০২৪
  • সংবাদদাতা, মাথাভাঙা: ভোগমারা থেকে শিলডাঙা, শুক্রবার সকাল থেকে এক গ্রাম থেকে আরএক গ্রামে দাপিয়ে বেড়াল বাইসন। লোকালয়ে বাইসন ঢুকে পড়ার খবর চাউর হতে সময় লাগেনি। এতে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন মাথাভাঙা-২ ব্লকের উনিশবিশা পঞ্চায়েতের বাসিন্দারা। খবর পেয়ে আসেন ঘোকসাডাঙা থানার পুলিস ও মাথাভাঙা রেঞ্জের বনকর্মীরা। কয়েক ঘণ্টার চেষ্টায় বাইসনটিকে ঘুমপাড়ানিগুলিতে কাবু করেন তাঁরা। হাফ ছেড়ে বাঁচেন স্থানীয়রা। বাইসনের ভয়ে অনেকে এদিন গবাদিপশু নিয়ে মাঠে যাননি। উদ্ধার হওয়া বাইসনটিকে পরে পাতলাখাওয়া জঙ্গলে ছেড়ে দেওয়া হয়। পুলিস সূত্রে খবর, স্থানীয়রা এদিন সকালে বাইসনটিকে লোকালয়ে দেখতে পান। বনকর্মীরা না আসা পর্যন্ত অনেকে ঘরবন্দি ছিলেন। পরে বনকর্মীরা ঘটনাস্থলে আসার পর আশ্বস্ত হন স্থানীয়রা। বাইসনটি কয়েকঘণ্টা লোকালয়ে দাপিয়ে বেড়ায়। তবে তেমন ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। শেষে বাইসনটিকে ঘুমপাড়ানিগুলিতে কাবু করে বনকর্মীরা। 


    বন্যপ্রাণীরা প্রায়ই মাথাভাঙা-২ ব্লকের লোকালয়ে চলে আসছে। বন্যপ্রাণীদের হামলায় অনেকে আহত হয়েছেন। এবছর হাতির হানায় তিনজন বাসিন্দার প্রাণ গিয়েছিল। বাইসনের হামলায় আহত হয়েছেন বেশ কয়েকজন। কিছুদিন পরপর ঘোকসাডাঙা, বড়শৌলমারি, ফুলবাড়ি, উনিশবিশা, প্রেমেরডাঙা পঞ্চায়েত এলাকায় বাইসন ঢুকে পড়ায় আলোড়ন ছড়িয়েছে। 


    বনকর্মীরা বলেন, আগের থেকে মানুষজন এখন অনেক সচেতন। তাই জখম হওয়ার সংখ্যা কমেছে। পাতলাখাওয়া, জলদাপাড়া জঙ্গল থেকে তোর্সা নদী পেরিয়ে পথ ভুলে বাইসন লোকালয়ে চলে আসে। বনদপ্তরের রেঞ্জার সুদীপ দাস বলেন, পূর্ব শিলডাঙা এলাকায়  বাইসনটিকে দেখা যায়। কোনও ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। একটি বাগানে বাইসনটি ঢুকতেই আমরা ঘুমপাড়ানি গুলি করে কাবু করি। পরে সেটিকে পাতলাখাওয়া জঙ্গলে ছাড়া হয়েছে।
  • Link to this news (বর্তমান)