নিজস্ব প্রতিনিধি, চুঁচুড়া ও হাওড়া: হাওড়া পুরসভার ৩০ নম্বর ওয়ার্ডে বেআইনি নির্মাণের অভিযোগে এক প্রোমোটারকে শুক্রবার গ্রেপ্তার করল হাওড়া পুলিস। সম্প্রতি মুখ্যমন্ত্রী হাওড়ায় অবৈধ নির্মাণ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন। তারপর এই গ্রেপ্তার বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। পুলিস জানিয়েছে, ধৃতের নাম সরফরাজ আনোয়ার। তাঁর বিরুদ্ধে হাওড়া পুরসভাই অভিযোগ দায়ের করেছিল। এদিকে, এদিন হাওড়ার জেলাশাসক একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠক করেন। সেখানে মন্ত্রী থেকে বিধায়ক, হাওড়া পুরসভার প্রশাসকমণ্ডলীর কর্তারা এবং পুলিস-প্রশাসনের আধিকারিকরা উপস্থিত ছিলেন। সেখানে অবৈধ নির্মাণ, টোটোর উৎপাত ও বেআইনি পার্কিং নিয়ে কড়া পদক্ষেপের সিদ্ধান্ত হয়েছে। এদিন হাওড়ার জেলাশাসক দীপাপ প্রিয়া পি কদমতলার ‘১০০ ফুট রোড’ পরিদর্শনে গিয়েছিলেন। সেখানে হকারদের জবরদখল নিয়ে বিস্তর অভিযোগ ছিল।
হাওড়ার পাশাপাশি হুগলিতেও এদিন জরুরি ভিত্তিতে গ্রামোন্নয়ন নিয়ে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক করেন জেলাশাসক মুক্তা আর্য। সেখানে হুগলির জেলা সদরের চুঁচুড়া-মগরা, চন্দননগরের তারকেশ্বর ও আরামবাগের খানাকুল-১ ও ২ ব্লকের কাজ নিয়ে উষ্মা প্রকাশ করেছে জেলা প্রশাসন। বিডিওদের এদিন তোপের মুখে পড়তে হয়। বৈঠক সূত্রে জানা গিয়েছে, শাসকদলের সঙ্গে বিরোধীপক্ষের অসহযোগিতার কারণেই ওই ব্লকগুলিতে উন্নয়নের কাজ থমকে গিয়েছে। প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, শুধরে নেওয়ার জন্য ব্লকগুলিকে সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে। পরে জেলাশাসক বলেন, ওই রাস্তাকে মানুষের চলাচলের যোগ্য করে তুলতে হবে। হকারদের সমস্যাও দেখা হবে। কোনও অবৈধ কাজকেই বরদাস্ত করা হবে না।