সাতদিনের মধ্যে জায়গা দখলমুক্ত করতে নোটিস দিল সেচদপ্তর, উদ্বিগ্ন ব্যবসায়ীরা
বর্তমান | ০১ জুলাই ২০২৪
সংবাদদাতা, কাঁথি: সাতদিনের মধ্যে জায়গা দখলমুক্ত করার নোটিস পেয়ে কাঁথির দেশপ্রাণ ব্লকের বাঁকিপুট সৈকতে সমুদ্রবাঁধের গায়ে থাকা দোকানগুলির দোকানদার-ব্যবসায়ীরা উদ্বিগ্ন। বাঁকিপুটে সমুদ্রবাঁধের গায়ে বেশকিছু খাবারের দোকানপাট রয়েছে। শুধু তাই নয়, বেশ কয়েকটি ঝুপড়ি আকারের বাড়িও রয়েছে। দোকানপাট ও বাড়িগুলিকে সরে যাওয়ার জন্য সেচদপ্তরের তরফে গত শুক্রবার নোটিস দেওয়া হয়েছে। সেই নোটিস দোকান ও বাড়িগুলিতে সাঁটিয়ে দেওয়া হয়েছে। বলা হয়েছে, যে জায়গা জবরদখল করে দোকানপাট ও বাড়ি নির্মাণ করা হয়েছে, সেটি সেচদপ্তরের। এখানে অবৈধভাবে জবরদখল করে বসা হয়েছে। তা সাতদিনের মধ্যে দখলমুক্ত করতে হবে। নাহলে পুলিস-প্রশাসনের সহায়তায় জায়গা দখলমুক্ত করা হবে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, দারিয়াপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের অধীন বাঁকিপুট পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে সুপরিচিত। প্রচুর ভ্রমণপিপাসু মানুষ সহ বাইরে থেকে পর্যটকরা এখানে বেড়াতে আসেন। সেদিকে লক্ষ্য রেখে বাঁকিপুটে সমুদ্রবাঁধের গায়ে সারি বেঁধে একের পর এক খাবারের দোকান এবং ছোট হোটেল গড়ে উঠেছে। বেশিরভাগ দোকানই পাকাভাবে নির্মাণ করা হয়েছে এবং ঢালাইও দেওয়া হয়েছে। সব মিলিয়ে ২৫টি দোকানপাট রয়েছে। রয়েছে ৭-৮টি বাড়িও। ভ্রমণপিপাসু মানুষজন পিকনিক করতে এলে দোকানগুলির পক্ষ থেকে তাঁদের হাঁড়ি-কড়া সহ অন্যান্য সামগ্রী ভাড়া দেওয়া হয়। অর্ডার দিলে রান্নাও করে দেওয়া হয়। সেচদপ্তরের কর্তাদের দাবি, অবৈধভাবে নির্মাণ হয়েছে। তাই তাঁদের জবরদখল সরিয়ে নিতে হবে। স্থানীয় বাসিন্দা এক দোকানদার শানু জানা বলেন, নোটিস পাওয়ার পর থেকে আমরা আতঙ্কিত। আমাদের প্রশ্ন, আগে যখন ওই জায়গায় একের পর এক দোকানপাট বসেছিল, তখন সেচদপ্তর কিংবা প্রশাসন কেন বাধা দিল না কিংবা তুলে দিল না? এখন আমাদের উঠে যেতে বললে আমরা কোথায় যাব? রুজিরোজগার হারিয়ে পথে বসা ছাড়া কোনও উপায় থাকবে না। আমরা চাইছি, সেচদপ্তর বিষয়টি বিবেচনা করে দেখুক। আমরা এবিষয়ে সংশ্লিষ্ট মহলের দৃষ্টি আকর্ষণও করেছি।