নিজস্ব প্রতিনিধি, কোচবিহার: তুফানগঞ্জের রসিকবিলে দেশি ও বিদেশি পাখি রাখার জন্য আরও দু’টি পাখিরালয় বানানো হবে। দেশীয় প্রজাতির পাখিদের মধ্যে টিয়া, মুনিয়া, ময়না প্রভৃতি রাখা হবে। এর মধ্যে বেশি সংখ্যায় রাখা হবে টিয়া ও ময়না। বিদেশি প্রজাতির পাখির মধ্যে বদ্রি, লাভ বার্ড বেশি নিয়ে আসা হবে। এছাড়াও রাখা হবে কাকাতুয়া, ম্যাকাও।
বনদপ্তর সূত্রে খবর, যে দু’টি অ্যাভিয়ারি তৈরি করা হবে, সেগুলি একএকটি লম্বায় ৩২ ফুট ও চওড়ায় ২৬ ফুট হবে। উচ্চতা হবে ২৫ ফুট। লোহার জাল দিয়ে ঘেরা থাকবে। এখন চারটি অ্যাভিয়ারি আছে। সেখানে সেলভার ফিজেন্ট, ম্যাকাও, রেড জঙ্গল ফাউল, গোল্ডেন ফিজেন্ট পাখি রাখা হয়েছে। আগামী দিনে আরও নানা ধরনের দেশি ও বিদেশি পাখি এনে নতুন খাঁচা দু’টিতে রাখা হবে।
রসিকবিলে এখন সাতটি চিতাবাঘের শাবক আছে। পাঁচটি পূর্ণবয়স্ক চিতাবাঘ রয়েছে। চিতাবাঘের শাবকগুলি দুই-আড়াই মাসের। এখনও নামকরণ হয়নি। বনদপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, ওয়েস্ট বেঙ্গল জু অথরিটি নামকরণের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেবে।
কোচবিহার বনদপ্তরের এডিএফও বিজনকুমার নাথ বলেন, দেশি ও বিদেশি প্রজাতির পাখি রাখার জন্য দু’টি নতুন বার্ড অ্যাভিয়ারি বানাচ্ছি আমরা। এ জন্য ২৫ লক্ষ টাকা খরচ হবে। ওয়ার্ক অর্ডার দেওয়া হয়েছে। আশা করছি, পুজোর আগে এই পাখিরালয় দু’টির কাজ শেষ হবে।
রসিকবিলের বিস্তীর্ণ এলাকা জলাভূমি। সেই জলাভূমিতে প্রতিবছর হাজার হাজার পরিযায়ী পাখি আসে। যা দেখতে শীতকালে বহু পর্যটক ভিড় জমান। এদিকে রসিকবিলের ভিতরে চিতাবাঘ, ঘড়িয়াল সহ আরও বিভিন্ন বন্যপ্রাণী রয়েছে। সেইসঙ্গে রয়েছে নানা প্রজাতির পাখি। এবার সেখানে পাখির সংখ্যা আরও বাড়াতে চাইছে বনদপ্তর। ফাইল চিত্র