বারাকপুরে ফুটপাত দখলমুক্ত করতে সমীক্ষা শুরু পুরসভার
বর্তমান | ০৩ জুলাই ২০২৪
নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাকপুর: বারাকপুরে ফুটপাত থেকে দখলদার হটাতে মঙ্গলবার সমীক্ষার কাজ শুরু করল পুরসভা ও প্রশাসন। পুলিস, বারাকপুর প্রশাসন, পুরসভাকে নিয়ে ১১ জনের কমিটি তালপুকুরের পেট্রল পাম্প থেকে বারাকপুর স্টেশন হয়ে লালকুঠি পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ রাস্তার দু’ধারে দখলদারদের নিয়ে সমীক্ষা করে। তাতে দেখা গিয়েছে, কমপক্ষে ২০০ জন এখনও পর্যন্ত রাস্তার উপরে দোকান করে বসে আছেন। তাঁদেরকে এদিন সরে যেতে বলা হয়েছে। বুধবারও একই রকম সমীক্ষা হবে বারাকপুরে। বৃহস্পতিবার থেকে সকলের কাছে নোটিস যাবে। ১৫ দিন সময় দেওয়া হবে। যদি তাঁরা সরে যান ভালো, না হলে প্রশাসন ও পুরসভার পক্ষ থেকে তাঁদের সরিয়ে দেওয়া হবে।
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশের পর ফুটপাত থেকে দখলদার হটাতে ১১ জনের একটি কমিটি করে বারাকপুর পুরসভা। সেই কমিটিতে পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান সুপ্রভাত ঘোষ, চেয়ারম্যান পরিষদের সদস্য নওশাদ আলম, কাউন্সিলার জয়দীপ দাস, ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট সুমন মণ্ডল, পুলিসের ট্রাফিক বিভাগের এক অফিসার, পুরসভার অফিসার, ইঞ্জিনিয়াররা রয়েছেন।
মঙ্গলবার বিটি রোড, এস এন ব্যানার্জি রোড পরিদর্শন করে কমিটি। ওই রাস্তাগুলি সহ পুরসভা আটটি রাস্তার ফুটপাতকে দখলদার মুক্ত করার পরিকল্পনা করেছে। আজ বুধবারও বারাকপুরের বিভিন্ন রাস্তায় সমীক্ষা চালাবে কমিটি। মুখ্যমন্ত্রী যেহেতু একমাস সময় দিতে বলেছেন, তাই সকলকে বারাকপুর পুরসভার পক্ষ অনুরোধ করা হচ্ছে, যাতে তারা নিজেরা সরে যান। যদি তা না হয়, তাহলে তাদের দোকান ভেঙে দিতে হবে বলে জানিয়েছেন বারাকপুর পুরসভার চেয়ারম্যান উত্তম দাস।
বারাকপুর স্টেশন চত্বর, চিড়িয়ামোড়, বারাকপুর মহকুমা আদালতের সামনে সব সময়ই ভিড় থাকে। সেখানে যাতায়াত করা খুবই দুঃসাধ্য হয়ে দাঁড়ায়। বারাকপুর আদালতের সামনে দক্ষিণ দিকের ফুটপাত জুড়ে রয়েছে দোকানের সারি। ওই দোকানগুলির জন্যই যাতায়াত করা আরও সমস্যার হয়ে দাঁড়ায়। এছাড়া প্রশাসনিক ভবনের ভিতরে ও বাইরে গাড়ির মেলা বসে যায়। আর বারাকপুর স্টেশন চত্বরে অটো, টোটোর জন্য যাতায়াত করা মুশকিল হয়ে দাঁড়ায়। মুখ্যমন্ত্রী জবরদখল সারানো নিয়ে বলার পরই নড়েচড়ে বসেছে প্রশাসন। নিজস্ব চিত্র