• জমি কেলেঙ্কারি রুখতে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি রাজ্য সরকারের
    বর্তমান | ০৪ জুলাই ২০২৪
  • নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: জমি কেলেঙ্কারির ক্ষেত্রে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অবলম্বন করছে রাজ্য সরকার। এই নীতিকে সামনে রেখেই আগামী শুক্রবার বিএলআরও সহ রাজ্য ভূমি ও ভূমি সংস্কার দপ্তরের প্রায় ৫০০ জন আধিকারিককে নিয়ে বৈঠকে বসছেন দপ্তরে সদ্য দায়িত্বপ্রাপ্ত অতিরিক্ত মুখ্যসচিব বিবেক কুমার। সূত্রের খবর, এদিনের বৈঠকে বিভিন্ন স্তরের আধিকারিকদের অধিকার সম্পর্কে ফের একবার করে সজাগ করে দেওয়া হবে। কারও বিরুদ্ধে নিয়মবহির্ভূতভাবে কোনও ব্যক্তিকে সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার অভিযোগ প্রমাণিত হলে কড়া পদক্ষেপ করার বিষয়টিও এই বৈঠকে ফের একবার করে পরিষ্কার করে দেওয়া হবে বলেও সূত্রের খবর।


    প্রসঙ্গত, সাম্প্রতিককালে একাধিক প্রশাসনিক বৈঠকে সরকারি জমি বেহাত হয়ে যাওয়া নিয়ে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। একটি বড় শ্রেণির যোগসাজশে তা হচ্ছে বলে প্রকাশ্যেই জানিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। ফলে, তাঁদের বিগত দিনের কাজের ভিত্তিতে রাজ্যের ৩৫০ বিএলআরও রিপোর্ট কার্ডও তৈরি হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে। আগামী কাল (৫ জুন) আলিপুরে সার্ভে বিল্ডিংয়ে দুপুর ১১টা থেকে চালু হবে এই গুরুত্বপূর্ণ পর্যালোচনা বৈঠক। ভূমি সংস্কার দপ্তরের আধিকারিকদের সশরীরে উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে। জেলায় নিযুক্ত বিএলআরও, এসডিএলআরও, ডেপুটি ডিএলএলআরও এবং ডিএলএলআরওরা ভার্চুয়াল মাধ্যমে যোগ দেবেন এই বৈঠকে।            


    রাজ্যের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, সাম্প্রতিককালে জেলায় নিযুক্ত বেশ কয়েকজন আধিকারিকের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত চালিয়ে কড়া ব্যাবস্থা নেওয়া হয়েছে। বেশ কয়েকজন এসআরও’কে নামিয়ে দেওয়া হয়েছে রেভিনিউ অফিসার র‌্যাঙ্কে। তা সত্ত্বেও ভূমি ও ভূমি সংস্কার দপ্তরের বিরুদ্ধে যে সমস্ত অভিযোগ এসেছে, প্রত্যেকটিই একেবারে তৃণমূল স্তরে নিযুক্ত এক শ্রেণির আধিকারিকদের জন্য। এটা আর কোনোভাবেই বরদাস্ত করা হবে না। এই বার্তা প্রত্যেকের কাছে পৌঁছনো প্রয়োজন বলেই এক আধিকারিক জানিয়েছেন। আবার জেলা স্তরে বেশ কিছু আধিকারিক নতুন করে ভূমি ও ভূমি সংস্কার দপ্তরে যোগ দিয়েছেন। এই বৈঠকের মাধ্যমে এই আধিকারিকদেরও দপ্তরের কাজ সম্পর্কে অবগত করা হবে বলেও জানা গিয়েছে।
  • Link to this news (বর্তমান)