সংবাদদাতা, কাকদ্বীপ: সাগরের কচুবেড়িয়ায় মুড়িগঙ্গা নদীর তীরে ভেসেল ঘাটের কাছে কংক্রিটের ছোট ছোট দোকানঘর তৈরি করা হচ্ছিল। কাজও অনেকটা এগিয়ে গিয়েছিল। এই পরিস্থিতিতে মাঝপথেই নির্মাণ বন্ধের নির্দেশ দিল প্রশাসন। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, অতীতে কচুবেড়িয়ায় রাস্তা চওড়া করার জন্য প্রচুর অস্থায়ী দোকানপাট ভাঙতে হয়েছিল। সেই ব্যবসায়ীরা দোকান হারিয়ে এখন অসহায় হয়ে পড়েছেন। তাঁদের কথা ভেবে মুড়িগঙ্গা এক নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের উদ্যোগে নদীর তীরে কংক্রিটের ছোট ছোট দোকানঘর নির্মাণ করা হচ্ছিল। প্রশাসনের পক্ষ থেকে সেই নির্মাণই বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এবিষয়ে মুড়িগঙ্গা এক নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান শিবশঙ্কর রঞ্জিত বলেন, পঞ্চায়েতের পক্ষ থেকে ওই দোকানঘরগুলি নির্মাণ করা হচ্ছিল। রাস্তা বড় করার সময় যাঁদের দোকান ভাঙা পড়েছে, তাঁদের কথা ভেবে এই কংক্রিটের দোকানঘর নির্মাণ করা হচ্ছে। তবে আপাতত এই নির্মাণ বন্ধ রাখার কথা বলা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, মুড়িগঙ্গা নদীর দক্ষিণ দিকে বড় বড় অক্ষরে ‘গঙ্গাসাগর’ লেখা রয়েছে। দোকান তৈরি হলে এই সৌন্দর্যায়ন চাপা পড়ে যেতে পারে বলে একটা প্রশ্ন উঠেছে। তবে ওই লেখাটি উত্তর দিকে করে দিলে সৌন্দর্যায়নের কোনও সমস্যা হবে না।
সুন্দরবন উন্নয়ন মন্ত্রী বঙ্কিমচন্দ্র হাজরা বলেন, অতীতে এলাকার পরিকাঠামো উন্নয়নের জন্য বেশ কিছু দোকানঘর ভাঙা পড়েছিল। তাঁদের মধ্যে কিছু জন দোকানঘর পেয়েছেন। এখনও কয়েকজনকে পুনর্বাসন দেওয়া যায়নি। তাঁদের জন্যই দোকানঘর তৈরি করা হচ্ছিল। কিন্তু পরবর্তী সময়ে দেখা গিয়েছে কচুবেড়িয়ার ভেসেল ঘাটের দু’পারে দোকান হয়ে গেলে সমস্যা তৈরি হতে পারে। কারণ গঙ্গাসাগর মেলার সময় এই এলাকায় প্রচুর মানুষের জমায়েত হয়। সেই কথা ভেবে আপাতত কাজ বন্ধ রাখার কথা বলা হয়েছে। পরে বিষয়টি নিয়ে ভাবা হবে। -নিজস্ব চিত্র