নদীয়া সীমান্তে ফের পাচারকারীদের সঙ্গে বিএসএফের খণ্ডযুদ্ধ, জখম বাংলাদেশি
বর্তমান | ০৫ জুলাই ২০২৪
নিজস্ব প্রতিনিধি, কৃষ্ণনগর: নদীয়ার সীমান্তে ফের বাংলাদেশি গোরু পাচারকারীদের সঙ্গে খণ্ডযুদ্ধ বাঁধল বিএসএফ জওয়ানদের। বুধবার গভীর রাতে ভীমপুরের মলুয়াপাড়া এলাকায় গোরু পাচারে বাধা পেয়ে পাচারকারীরা বিএসএফ জওয়ানদের উপর চড়াও হয়। পাল্টা জওয়ানরা গুলি চালায়। তাতে এক বাংলাদেশি পাচারকারী জখম হয়। তাকে চিকিৎসার জন্য শক্তিনগর জেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। জখম গোরু পাচারকারীর নাম আজমুল হোসেন। বাড়ি বাংলাদেশের চুয়াডাঙা জেলার ঠাকুরপুরে। সীমান্তে বাংলাদেশি পাচারকারীদের দৌরাত্ম্যে উদ্বেগ বেড়েছে বিএসএফের।
বিএসএফ সূত্রে জানা গিয়েছে, ভীমপুরের মালুয়াপাড়া এলাকায় বেশ কিছু জায়গায় কাঁটাতার নেই। বুধবার রাতে সেই কাঁটাতারহীন সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশি চোরাকারবারিরা ভারতে ঢোকে। তারপর তারা গোরু বাংলাদেশে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। বাংলাদেশে গোরু পাচারকারী এই গ্যাংয়ে আট থেকে দশ দুষ্কৃতী ছিল বলে বিএসএফ সূত্রে জানা গিয়েছে। বিএসএফের জওয়ানরা বাধা দিলে পাচারকারীরা তাঁদের উপর চড়াও হয়। ধারালো অস্ত্র নিয়ে আক্রমণে উদ্যত হয়। তখন জওয়ানরা গুলি চালায়। ভয়ে পাচারকারীরা বাংলাদেশে পালিয়ে যায়। ভোরের দিকে ওই এলাকায় তল্লাশি চালালে সীমান্ত সড়কের ২০০ মিটার ভিতরে এক পাচারকারীকে জখম অবস্থায় পাওয়া যায়। তাকে কৃষ্ণগঞ্জ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে শক্তিনগর জেলা হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। ঘটনার পর বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের সঙ্গে বিএসএফ একটি বৈঠক করে। যেখানে বাংলাদেশি চোরাকারবারিদের এই আক্রমণের তীব্র নিন্দা করে বিএসএফ। বিএসএফের দক্ষিণবঙ্গ ফ্রন্টিয়ারের জনসংযোগ আধিকারিক এ কে আর্য বলেন, বিজিবির সঙ্গে ঘন ঘন ফ্ল্যাগ মিটিং করা সত্ত্বেও পরিস্থিতি বদলাচ্ছে না। বিজিবির নিষ্ক্রিয়তা চোরাকারবারি এবং অপরাধীদের উৎসাহিত করছে। আমাদের জওয়ানরা সীমান্ত রক্ষা ও দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অবিচল রয়েছে।