• ভাঙন অব্যাহত, ফুলহরের গর্ভে আরও বাড়িঘর তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রতুয়ায়
    বর্তমান | ০৫ জুলাই ২০২৪
  • সংবাদদাতা, চাঁচল: মালদহের রতুয়ায় ফুলহর নদীর ভাঙন অব্যাহত। ৫০০ জন দুর্গতের তালিকা তৈরি করে বৃহস্পতিবার ত্রাণ নিয়ে এলাকায় পৌঁছল প্রশাসন। তবে মাথা গোঁজার জন্য ত্রাণের ত্রিপল দেওয়া হলেও খাবার দেওয়া হয়নি। এই অভিযোগে ক্ষোভ ছড়িয়েছে দুর্গতদের মধ্যে। শুকনো খাবার দেওয়ারও প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে বলে মহকুমা প্রশাসন জানিয়েছে। উত্তরবঙ্গে ভারী বর্ষণের জেরে মহানন্দা বেয়ে জল পড়ছে ফুলহরে। কোশী নদী হয়ে সেই জল পড়ছে গঙ্গায়। গঙ্গার জলস্তর কম থাকায় ফুলহরের জলস্ফীতিতে ভাঙন শুরু হয়েছে রতুয়া ১ ব্লকের বিলাইমারি ও মহানন্দাটোলা গ্রামপঞ্চায়েতের খাসমহল, ভাসারামটোলা, নাসিরটোলা, সামসুদ্দিনটোলা ও হাজি ইউসুফটোলা এলাকায়। 


    গত ছয়দিনে বহু বাড়ি তলিয়ে গিয়েছে। শয়ে শয়ে বসতবাড়ি নদীগর্ভে তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা। নদীগর্ভে তলিয়ে যাচ্ছে শয়ে শয়ে বিঘা আবাদি জমি। ভাসারামটোলার গোপাল রবিদাস বলেন, বাড়ির সব আসবাবপত্র নিয়ে উঁচু জায়গায় আশ্রয় নিয়েছি। কীভাবে দিন কাটবে জানি না। ত্রাণের ত্রিপল দেওয়া হয়েছে এদিন। শুকনো খাবার দেওয়া হলে ভালো হত। রতুয়া ১ পঞ্চায়েত সমিতির খাদ্য কর্মাধ্যক্ষ আতাউর রহমান বলেন, শুধু ত্রাণের ত্রিপল এসে পৌঁছেছে। পরিস্থিতি ভালো নেই। শুকনো খাবারের জন্য আবেদন রেখেছি প্রশাসনের কাছে। চাঁচলের মহকুমাশাসক শৌভিক মুখোপাধ্যায় বলেন, ভাঙন কবলিতরা যাতে বিপদে না পড়েন সেজন্য সিভিল ডিফেন্সের কর্মীদের মোতায়েন করা হয়েছে। তাঁরা নৌকা নিয়ে এলাকায় থাকবেন। শুকনো খাবার দেওয়ার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।
  • Link to this news (বর্তমান)