• হলদিয়ায় সরকারি জমি দখল করে দোতলা বাড়ি, রিপোর্ট তলব বিডিওর
    বর্তমান | ০৫ জুলাই ২০২৪
  • সংবাদদাতা, হলদিয়া: হলদিয়া ব্লকে বালুঘাটা-চৈতন্যপুর রোডে বিধান স্মৃতি পাঠাগারের অদূরে প্রস্তাবিত ব্লক প্রাণী সম্পদ দপ্তরের (বিএলডিও) অফিসের জন্য চিহ্নিত সরকারি জমি জমি দখল করে দোতলা বাড়ি তৈরির অভিযোগ উঠেছে। বিডিওর কাছে এই মর্মে গণসাক্ষর করা অভিযোগপত্র জমা পড়েছে। পাশাপাশি হলদিয়া পঞ্চায়েত সমিতির বিরোধী দলনেতাও একই অভিযোগ করেছেন। অভিযোগ পেয়েই বৃহস্পতিবার ব্লক ভূমিদপ্তরের কাছে রিপোর্ট তলব করলেন বিডিও। একই সঙ্গে তিনি একটি তদন্তকারী টিম গড়ে খোঁজ নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। জানা গিয়েছে, হলদিয়া ব্লকের কুমারপুর মৌজায় ২৮৮৫ নম্বর দাগে জেলা পরিষদের (পূর্বতন ডিস্ট্রিক্ট বোর্ড) একটি ১৮ ডেসিমেল জমি রয়েছে। পঞ্চায়েত সমিতির পূর্বতন বোর্ড ওই জমিতে ব্লক লাইভস্টক ডেভেলপমেন্ট অফিসারের কার্যালয় (বিএলডিও) তৈরির উদ্যোগ নেয়। তৎকালীন পঞ্চায়েত সমিতি জেলা পরিষদের সঙ্গে আলোচনা করে এ বিষয়ে। জেলা পরিষদ সম্মতি দেওয়ার পর পঞ্চায়েত সমিতির সাধারণ সভায় সর্বসম্মতিক্রমে সিদ্ধান্ত হয়। ওই জমিতে স্থানীয় দুই চাষি দীর্ঘদিন ধরে চাষবাস করছিলেন। পঞ্চায়েত সমিতির সিদ্ধান্তের পর দুই চাষিকে জমি ছেড়ে দেওয়ার আবেদন করে প্রশাসন। তাঁরা সরকারির জমি ছেড়েও দেন। অভিযোগ, ওই জমির একাংশ দখল করে পাকা বাড়ি উঠেছে। পঞ্চায়েত সমিতির বিরোধী দলনেতা চন্দন সামন্ত বলেন, দুই ব্যক্তি বিএলডিও অফিসের জন্য চিহ্নিত জমি দখল করে তাঁদের নামে রেকর্ড করে নিয়েছেন। ওই জায়গা ঘরবাড়িও তৈরি হয়েছে। দু›বছর আগেও ডিস্ট্রিক্ট বোর্ডের ১৮ ডেসিমেল জমি ছিল। এখন ভূমিদপ্তরের খতিয়ানে দেখা যাচ্ছে, ১৬ ডেসিমেল ডিস্ট্রিক্ট বোর্ডের নামে এবং বাকি দুই ডেসিমল দু›জনের নামে রেকর্ড হয়েছে। কীভাবে সরকারি জমি বেহাত হল তার তদন্ত চেয়েছি বিডিওর কাছে। বিরোধী দলনেতার আরও অভিযোগ, হলদিয়া ব্লকে রাস্তার পাশে বিভিন্ন পঞ্চায়েত এলাকায় ভূমি দপ্তরের ১ নম্বর খতিয়ানের জমি লক্ষ লক্ষ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বিডিও সৌরভ মাজি বলেন, জমি সংক্রান্ত বিষয়ে দু’টি অভিযোগপত্র পেয়েছি। বিএলএলআরওকে রিপোর্ট চেয়ে পাঠিয়েছি।
  • Link to this news (বর্তমান)