সংবাদদাতা, তেহট্ট: চাকরির প্রতিশ্রুতি দিয়ে প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে পঞ্চায়েত সমিতির স্বাস্থ্য কর্মাধ্যক্ষের বিরুদ্ধে। করিমপুর-২ পঞ্চায়েত সমিতির স্বাস্থ্য কর্মাধ্যক্ষ সুখিয়া খাতুনের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ উঠেছে। এনিয়ে সুজন শেখ থানারপাড়া থানায় অভিযোগ জানাতে যান। পুলিস না নেওয়ায় তিনি তেহট্ট আদালতে মামলা করেন। আদালতের নির্দেশে পুলিস অভিযোগের তদন্ত শুরু করেছে। যদিও অভিযুক্ত সুখিয়া খাতুন সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। পুলিস ও আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে, সুজনের বাড়ি মুর্শিদাবাদ জেলার হরিহরপাড়া থানার গোবিন্দপুরে। তাঁর দাবি, সোশ্যাল মিডিয়ায় সুখিয়া খাতুনের সঙ্গে কয়েক বছর আগে তাঁর পরিচয় হয়। বিভিন্ন নেতা-নেত্রীর সঙ্গে সুখিয়া খাতুনের ছবি ছিল। তা দেখে তিনি কাজের প্রয়োজন বলে জানান। অভিযোগ, সেই সময় সুখিয়া হাসপাতালের গ্রুপ ডি পদে তাঁর চাকরি করে দেবেন বলে জানান। তারজন্য পাঁচ লক্ষ টাকা দাবি করা হয়। অগ্রিম হিসেবে তিনি ২০২৩ সালের জুন মাসে ২লক্ষ ২০ হাজার টাকা দেন। কিন্তু, চাকরি হয়নি। তখন তিনি টাকা ফেরত চান। যদিও সুখিয়া তা দিতে অস্বীকার করেন। বাড়িতে টাকা চাইতে গেলে তাঁকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। এনিয়ে তিনি থানায় অভিযোগ জানাতে যান। যদিও পুলিস অভিযোগ নেয়নি। তারপরই তিনি তেহট্ট মহকুমা আদালতে অভিযোগ দায়ের করেন। পুলিস আদালতের নির্দেশে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। অভিযুক্ত সুখিয়া খাতুন অবশ্য বলেন, আমাকে কালিমালিপ্ত করতে চক্রান্ত করা হচ্ছে। আমি কোনও টাকা নিইনি। ওই যুবকের বিরুদ্ধে আমিও আইনি পদক্ষেপ নেব। সুখিয়া খাতুনের দাবিকে সমর্থন করেছেন করিমপুর-২ ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি সৌমেন বিশ্বাস। তবে তিনি বলেন, তদন্তে দোষ প্রমাণ হলে দলীয়ভাবে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।