পঞ্চায়েতের মূল্যায়নে বাড়তি গুরুত্ব নারী ও শিশু কল্যাণে
বর্তমান | ০৬ জুলাই ২০২৪
নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: একটি আর্থিক বছরে পঞ্চায়েতগুলি কেমন কাজ করল, কোথায় খামতি থাকল বা কোথায় উন্নতি করেছে] যাবতীয় কিছু পরীক্ষা করে প্রতিবছরই মূল্যায়ন করা হয়। ২০২৩-২৪ সালে তাদের বার্ষিক মূল্যায়নের ক্ষেত্রে এবার আরও বেশি কড়া নিয়ম আনল পঞ্চায়েত দপ্তর। মূল্যায়নের মাপকাঠি হিসেবে একাধিক নতুন বিষয় যোগ করা হয়েছে এবার। তার মধ্যে নারী ও শিশু কল্যাণের জন্য কী কী কাজ করেছে তারা, তার উপর বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। তাছাড়া একটি পঞ্চায়েত যে সমস্ত ভবন বা সরকারি বিল্ডিং তৈরি করেছে, তার গুণগত মানের রিপোর্ট, নিজস্ব আয় বাড়াতে কতটা সক্ষম হয়েছে প্রভৃতি বিষয়ে খতিয়ে দেখা হবে বলে ঠিক হয়েছে।
১১ জুলাই থেকে রাজ্যজুড়ে পঞ্চায়েতের মূল্যায়ন শুরু হবে। পঞ্চায়েত দপ্তর এবং জেলা প্রশাসনের যৌথ উদ্যোগে অনলাইনে চলবে এই কাজ। যেসব বিষয়ের উপর একটি পঞ্চায়েতকে পরীক্ষা করা হবে সেগুলি হল পরিকল্পনা ও বাজেট, পরিষেবা প্রদান, অর্থনৈতিক শৃঙ্খলা প্রভৃতি। প্রতিটি বিষয়ে ৫০ শতাংশ নম্বর পেতেই হবে তাদের। যেসব বিষয় এবার একেবারে নতুন যোগ করা হয়েছে তার মধ্যে একটি হল: ২০২৪-২৫ সালে পঞ্চায়েতের তরফে তৈরি উন্নয়ন পরিকল্পনার মধ্যে নারী ও শিশু কল্যাণের জন্য দু’টি কাজ রয়েছে কি না তা দেখবে প্রশাসন। ওইসঙ্গে আরও দেখা হবে গত অর্থবর্ষে পাওয়া অনুদানের ১৫ শতাংশ নারী ও শিশু কল্যাণের জন্য একটি পঞ্চায়েত খরচ হয়েছে কি না। পঞ্চায়েত এলাকার জলের গুণগত মান পরীক্ষা করে তারও রিপোর্ট আপলোড করতে হবে। সেসব ভালো করে যাচাই করবেন জেলা ও ব্লক প্রশাসনের আধিকারিকরা। পুজোর আগেই এই মূল্যায়ন শেষ করার লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছে পঞ্চায়েত দপ্তর। কে কত নম্বর পেল তার উপর ভিত্তি করেই রাজ্য অর্থ কমিশনের টাকা নির্ধারণ করা হবে।