• কৃষ্ণগঞ্জ সীমান্তে ফের ৫ কেজি সোনার বিস্কুট ও ইট উদ্ধার, ধৃত এক পাচারকারী
    বর্তমান | ০৭ জুলাই ২০২৪
  • নিজস্ব প্রতিনিধি, কৃষ্ণনগর: নদীয়া জেলার সীমান্ত থেকে ফের কোটি টাকার সোনার বিস্কুট বাজেয়াপ্ত হল। শুক্রবার বিকেলে কৃষ্ণগঞ্জ সীমান্তের পুট্টিখালি থেকে কয়েক কোটি টাকার সোনার বিস্কুট ও সোনার ইট বাজেয়াপ্ত করেছে বিএসএফ।‌ ঘটনায় একজন পাচারকারীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সীমান্ত দিয়ে স্কুটি করে বনগাঁতে সোনার বিস্কুট হস্তান্তর করত পাচারকারী। জানা গিয়েছে, সোনার বিস্কুট ও সোনার ইট মিলিয়ে মোট ২২টি অবৈধ সোনার সামগ্রী বাজেয়াপ্ত হয়েছে। প্রায় ৫ কেজি ওজনের এই সোনার সামগ্রীর বাজার মূল্য প্রায় ৩ কোটি ২৮ লক্ষ টাকা। এই নিয়ে নদীয়া সীমান্তে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে প্রায় ১১ কোটি টাকার সোনার বিস্কুট ও ইট বাজেয়াপ্ত হয়েছে। প্রসঙ্গত নদীয়া জেলার সীমান্তে সোনাপাচার রমরমিয়ে বেড়েছে। নিত্যদিন জেলার বিভিন্ন থানা এলাকা থেকে সোনার বিস্কুট বাজেয়াপ্ত হচ্ছে বিপুল সংখ্যায়। অনেক সময় পাচারকারীরা ধরা পড়ছে। আবার অনেক সময় তারা বাংলাদেশে পালিয়ে যাচ্ছে। গত ৪ জুলাই চাপড়ার সীমানগর এলাকায় পরপর চারটি অভিযান চালায় বিএসএফ এবং ডিআরআই। যৌথ অভিযানে প্রায় সাত কোটি টাকার সোনার বিস্কুট বাজেয়াপ্ত হয়। গ্রেপ্তার হয় সাতজন পাচারকারী। চলতি বছরে নদীয়া জেলায় এটাই বড় অভিযান বলে বিএসএফ দাবি করছে। কিন্তু সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই ফের কৃষ্ণগঞ্জ থেকে সোনার বিস্কুট ও ইট বাজেয়াপ্ত হয়েছে। 


    বিএসএফ সূত্রে জানা গিয়েছে, গোয়েন্দা বিভাগের তরফ থেকে আগেই সীমান্তে সোনা পাচারের তথ্য পেয়েছিল সীমান্তরক্ষী বাহিনী। গত শুক্রবার বিকেলে সীমান্তের পুট্টিখালি এলাকায় মথুরাপুর গ্রাম থেকে সোনার বিস্কুট বাজেয়াপ্ত হয়। তাই বিএসএফ আগেভাগেই এলাকায় ঘাঁটি গেড়েছিল। বিএসএফ সন্দেহভাজন এক স্কুটি চালককে আটক করে। তার স্কুটিতে তল্লাশি চালিয়ে সিটের নীচে রাখা লাগেজ থেকে ২০টি সোনার বিস্কুট ও ২টি সোনার ইট উদ্ধার করা হয়। স্কুটিচালক তথা পাচারকারীকে আটক করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে জানায়, বনগাঁতে সোনার বিস্কুট হস্তান্তর করতে যাচ্ছিল। ধৃত ব্যক্তি এবং বাজেয়াপ্ত সোনা আইনানুগ ব্যবস্থার জন্য ডিআরআই কলকাতার কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।


    বিএসএফের দক্ষিণবঙ্গ ফ্রন্টিয়ারের জনসংযোগ কর্মকর্তা এ কে আর্য বলেন, চোরাচালান বন্ধ করার লক্ষ্যে আমাদের বড়ো সাফল্য এসেছে। চোরাচালানের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে বিএসএফ অঙ্গীকারবদ্ধ।
  • Link to this news (বর্তমান)