এসএফআই নেতাকে ঘুরপথে পিএইচডিতে ভর্তি! তদন্ত কমিটি গঠন করছে যাদবপুর
বর্তমান | ০৭ জুলাই ২০২৪
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে এক এসএফআই নেতাকে পিএইচডি অ্যাডমিশন ‘পাইয়ে’ দেওয়ার অভিযোগে তদন্ত কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত হল। শুক্রবার বিশ্ববিদ্যালয়ের এগজিকিউটিভ কাউন্সিলের বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে বাইরের দুই ব্যক্তি এই কমিটিতে থাকবেন। তাঁরা শিক্ষাবিদ অথবা অবসরপ্রাপ্ত বিচারক হতে পারেন। শুধু এসএফআই নেতাকে পিএইচডিতে ভর্তি নেওয়াই নয়, আরও এক ছাত্রও অভিযোগ তোলেন, যোগ্য হওয়া সত্ত্বেও তাঁকে বঞ্চিত করা হয়েছে। সেই অভিযোগও খতিয়ে দেখবে এই কমিটি। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগে ওই ছাত্রকে ভর্তি করানোর জন্য যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি বা জুটার এক নেতার চাপ ছিল। এমন তথ্য উঠে আসে ওই বিভাগের এক অধ্যাপক এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের এক প্রাক্তন শীর্ষকর্তার (বর্তমানে অধ্যাপক এবং শিক্ষাদপ্তরের স্বশাসিত একটি সংস্থার প্রধান) মোবাইলের কথোপকথনে। সে বার্তালাপ ভাইরাল হয় সোশাল মিডিয়ায়। এর সঙ্গে ছড়িয়ে পড়ে কিছু হোয়াটসঅ্যাপ বার্তাও। অভিযোগ, শেষ পর্যন্ত আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগে ভর্তি না করাতে পেরে বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি স্কুল অব স্টাডিজে পিএইচডিতে অ্যাডমিশন করানো হয় ওই নেতাকে। এ নিয়ে অভিযোগ এবং পাল্টা অভিযোগও রয়েছে। সে সব খতিয়ে দেখবে এই কমিটি। তবে অভিযোগ নিয়ে অন্তত প্রকাশ্যে বিচলিত নন ছাত্রনেতা অনুষ্টুপ চক্রবর্তী। তিনি বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বা রেজিস্ট্রারের কাছে আমার যাবতীয় তথ্য জমা দেওয়া রয়েছে। আমি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি এবং পিএইচডির নিয়মাবলী মেনেই ভর্তি হয়েছি। যাঁরা অভিযোগ তুলছেন, তাঁরা প্রমাণ দেখান অথবা আদালতের দ্বারস্থ হোন।’ অন্দরের খবর, ব্যাকডেটে কিছু কিছু নথিভুক্ত করা হয়েছে। তা আপাতদৃষ্টিতে ধরা পড়বে না। একমাত্র বিস্তারিত তদন্ত হলেই সেই বিচ্যুতিগুলি উঠে আসবে।