• অবিরাম বৃষ্টিতে জলপাইগুড়ি শহর সহ জেলার বিস্তীর্ণ এলাকা জলমগ্ন
    বর্তমান | ০৭ জুলাই ২০২৪
  • নিজস্ব প্রতিনিধি ও সংবাদদাতা: অবিরাম বৃষ্টিতে জলপাইগুড়ি জেলার বিস্তীর্ণ এলাকায় তৈরি হয়েছে প্লাবন পরিস্থিতি। জলপাইগুড়ি শহর, পার্শ্ববর্তী গ্রামাঞ্চলের একাংশ সহ ময়নাগুড়ি, ধূপগুড়ি, নাগরাকাটা ও মাল ব্লকের কিছু এলাকা জলমগ্ন। কিছু জায়গায় ক্ষতিগ্রস্ত রাস্তা, কোথাও চর এলাকায় জলস্তর বেড়েছে। কোথাও আবার রাস্তায় ধস নেমেছে। যার পরিপ্রেক্ষিতে তৎপরতা শুরু করেছে জেলাপ্রশাসন। জেলাশাসক শমা পরভীন বলেন, প্লাবন পরিস্থিতির জন্য জেলাজুড়ে খোলা হয়েছে আটটি ত্রাণকেন্দ্র। এরমধ্যে যেমন জলপাইগুড়ি পুর এলাকা, তেমনই মাল, ক্রান্তি, সদর ব্লক রয়েছে। শনিবার অন্তত ৭৫০ জন কেন্দ্রগুলিতে আশ্রয় নিয়েছেন। দুর্গত এলাকার বাসিন্দাদের ত্রিপল, শুকনো ও রান্না করা খাবার বিলি করা হচ্ছে। দুর্যোগ পরিস্থিতির জন্য দেওয়া হয়েছে তাঁবুও। এদিকে আবহাওয়া দপ্তর সূত্রে খবর, রবিবারও বৃষ্টিপাতের ক্ষেত্রে জলপাইগুড়িতে জারি হয়েছে লাল সতর্কতা। 


    গত কয়েকদিন ধরে অবিরাম বৃষ্টির জেরে ফুঁসছে তিস্তা, জলঢাকা সহ জলপাইগুড়ি শহরের ভিতর দিয়ে বয়ে যাওয়া করলা, ধরধরা সহ সমস্ত নদী। করলার জল বেড়ে গিয়ে নীচ মাঠ, পরেশ মিত্র কলোনি এলাকায় এক কোমর জল জমে গিয়েছে। শতাধিক পরিবার ঘরছাড়া। ফ্লাড শেল্টার খুলে দেওয়া হয়েছে। ইন্দিরা কলোনি, সদর বিডিও অফিস মোড়, ১ নম্বর ওয়ার্ডের কিছুটা অংশ ছাড়াও পূর্ব অরবিন্দনগর, নিউটাউন পাড়া, ৪ নম্বর গুমটি এবং ৩ নম্বর গুমটি জলমগ্ন হয়ে পড়ে। এছাড়াও মহামায়া পাড়া, বোস পাড়া, মাসকলাইবাড়ি, কদমতলা, বেগুনটারি, সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালের সামনে জল দাঁড়িয়ে যায়। জল ঢুকে যায় বেশকিছু বাড়িতেও। 


    ময়নাগুড়ি ব্লক প্রশাসনের তথ্য বলছে, পদমতি ১ এবং ২ পঞ্চায়েত এলাকা সহ ধর্মপুর এলাকায় বিভিন্ন স্কুল চিহ্নিতকরণ করা হয়েছে। যাতে তিস্তার চর এলাকা থেকে উদ্ধার হওয়া গ্রামবাসীদের রাখা যায়। আবার মাল ব্লকে কুমলাই পঞ্চায়েতের কান্তদিঘি কুমারপাড়া এলাকা জলমগ্ন, বাগরাকোট পঞ্চায়েতের টটগাঁও পঞ্চায়েতের ৪০ বাড়ি জলমগ্ন, ক্রান্তি ব্লকের পশ্চিম সাহেববাড়ি, পশ্চিম দলগাঁও এলাকা জলমগ্ন।
  • Link to this news (বর্তমান)