স্ত্রী বাপেরবাড়ি থেকে না ফেরায় মদের সঙ্গে বিষ মিশিয়ে খেয়ে যুবক আত্মঘাতী
বর্তমান | ০৮ জুলাই ২০২৪
সংবাদদাতা, বহরমপুর: মারধর করায় স্ত্রী অভিমানে মেয়েকে নিয়ে বাপেরবাড়ি চলে গিয়েছেন। বারবার ফোন করেও স্ত্রী ফিরে না আসায় মদের সঙ্গে কীটনাশক মিশিয়ে খেয়ে এক যুবক আত্মঘাতী হলেন। মৃতের নাম অমরেশ দাস(৩৫)। বাড়ি নদীয়ার করিমপুর থানার নাটনায়। শনিবার সন্ধ্যায় মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে তাঁর মৃত্যু হয়েছে। এনিয়ে অভিযোগ হয়নি বলেই জানিয়েছে পুলিস।
জানা গিয়েছে, বেশ কয়েক বছর আগে ডোমকলের যুবতী চম্পা দাসের সঙ্গে পেশায় গাড়িচালক অমরেশের বিয়ে হয়। তাঁদের বছর বারোর এক কন্যাসন্তান রয়েছে। অভিযোগ, স্ত্রীকে মাঝেমধ্যেই মারধর করতেন অমরেশ। সেকারণে বাড়ি থেকে বাপেরবাড়ি চলে যান চম্পা। স্ত্রী ফিরতে না চাওয়ায় ২৭জুন নিজের ঘরে মদের সঙ্গে ঘাসমারা কীটনাশক মিশিয়ে খান। তাঁকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখান থেকে মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়। চম্পা বলেন, রোজ মদ খেয়ে এসে আমাকে মারধর করত। এর আগেও আমি সংসার করব না বলে তিনবার বাপেরবাড়ি গিয়েছিলাম। শ্বশুর-শাশুড়ির অনুরোধে ফিরে আসি। গত ২১জুন ফের মারধর করায় বাপেরবাড়ি যাই। আর ফিরে আসিনি। মৃতের কাকা নীরেন দাস বলেন, ভাইপো সবসময় নেশা করত। শারীরিক নির্যাতন সহ্য করতে না পেরেই ওর স্ত্রী বাপেরবাড়ি চলে গিয়েছিল।
প্রেমিকা বিয়ে করতে না চাওয়ায় যুবক আত্মঘাতী: প্রেমিকা বিয়েতে রাজি না হওয়ায় অভিমানে আত্মঘাতী হলেন এক যুবক। মৃতের নাম সাদিকুল হক(৩১)। বাড়ি লালগোলা থানার আষাঢ়িদহ। পেশায় রাজমিস্ত্রি আসাদুল শুক্রবার রাতে বাড়ির চিলেকোঠায় কীটনাশক খেয়ে পড়েছিলেন। শনিবার সকালে উদ্ধার করে মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। শনিবার রাতেই তাঁর মৃত্যু হয়। মৃতের দাদা সাদ্দাম হোসেন বলেন, রাত দেড়টা পর্যন্ত ভাই টিভি দেখেছে। তারপরই বিষ খায়। ভাই একজনকে ভালোবাসত। তাকে বিয়ে করতে চেয়েছিল। আমাদের অনুমান, সেই সম্পর্কের অবনতির কারণেই আত্মঘাতী হয়েছে।