সংবাদদাতা, ধূপগুড়ি ও মালবাজার: ধূপগুড়ি মহকুমার সাঁকোয়াঝোরা-২ পঞ্চায়েতের সোনাখালির বাসিন্দারা তাঁদের ঘরবাড়ি ভেসে যাওয়ার আশঙ্কায়। ডুডুয়ার ভাঙন মারাত্মক আকার নিয়েছে। নদী ভাঙনে আগেই তলিয়ে গিয়েছে চাষের জমি। বাধ্য হয়ে বাড়িঘর সরিয়ে নিয়েছে পরিবারগুলি। যেভাবে নদীর ভাঙন চলছে, তাতে ২০টি বাড়ি সহ এলাকার মসজিদ তলিয়ে যাওয়ার উপক্রম। ভিটেমাটি হারানোর আতঙ্কে রাত জাগছেন তাঁরা। বাঁধের দাবিতে অতীতে গ্রামবাসীরা প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়েছিলেন। বিধায়ক সহ সেচদপ্তরেও জানিয়েছেন। বাসিন্দারা চাইছেন, দ্রুত প্রশাসন কোনও পদক্ষেপ করুক।
স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্য হাবিবুল আলম জানিয়েছেন, ক’দিনের টানা বৃষ্টিতে ফের নদীতে ভাঙন শুরু হয়েছে। আগেই বহু কৃষিজমি নদীগর্ভে চলে গিয়েছে। বিডিও, এসডিও’কে জানানো হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দা খালেফ হোসেন বলেন, দ্রুত যদি বাঁধের ব্যবস্থা করা না হয়, তাহলে এলাকার মসজিদ সহ বাকি কৃষিজমি এবং বেশ কয়েকটি বাড়ি নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে। কবে বাঁধ হবে জানি না। প্রশাসন শুধু প্রতিশ্রুতি দিয়ে যায়। সম্প্রতি ধূপগুড়ির মহকুমা শাসক সহ সেচদপ্তরের আধিকারিকরা এলাকা পরিদর্শন করেন। সেচদপ্তরের বানারহাট মহকুমার আধিকারিক গৌরব ভৌমিক বলেন, আমরা এলাকা পরিদর্শনে গিয়েছিলাম। অবশ্যই একটা ব্যবস্থা হবে। ধূপগুড়ির তৃণমূল কংগ্রেস বিধায়ক নির্মলচন্দ্র রায় বলেন, ধূপগুড়িতে কয়েকটি নদী বাঁধের কাজ চলছে। আশা করছি, ডুডুয়ারও বাঁধ হবে। শনিবারও এলাকা পরিদর্শন করে যান ধূপগুড়ির বিডিও সঞ্জয় প্রধান। তিনি জানান, বাঁধের ব্যাপারে সেচদপ্তরকে জানানো হয়েছে। ধূপগুড়ির মহকুমা শাসক পুষ্পা দোলমা লেপচা জানান, বিষয়টি সম্পর্কে তাঁকে জানানো হয়েছে। তিনি সেচদপ্তরের ইঞ্জিনিয়ারদের সঙ্গে এই ব্যাপারে কথাও বলেছেন। বাঁধের ব্যাপারে পদক্ষেপ করা হবে।