পরিত্যক্ত জমির জমা জল থেকেই বাড়ছে ডেঙ্গু, পরিষ্কার করতে মালিকদের নোটিস
বর্তমান | ০৯ জুলাই ২০২৪
নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: চলতি বছরের বর্ষায় ডেঙ্গু মোকাবিলায় বিশেষ নজর দেওয়ার জন্য জেলায় জেলায় নির্দেশিকা পাঠিয়েছে স্বাস্থ্যদপ্তর। উত্তর ২৪ পরগনা জেলাতেও এই রোগ মোকাবিলায় পৌঁছেছে স্বাস্থ্যদপ্তরের সতর্কবার্তা। তবে এবার আগেভাগেই বাড়তি সতর্কতা নিয়েছে বারাসত পুরসভা। তাদের মন্তব্য, অনেকে জায়গা কিনে রেখেছেন শহরে। কিন্তু নির্মাণ করেননি। ফলে পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে থাকছে ওইসব জমি। সেখানেই জমে থাকা জলে ডেঙ্গু আতঙ্ক বাড়ছে। তাই এবার সেই জমি মালিকদের নোটিস পাঠানো শুরু করেছে পুরসভা। ওইসব জায়গায় যাতে জল জমে মশার প্রাদুর্ভাব না বাড়ে, সেই দিকে নজর দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে।
জানা গিয়েছে, আইনি জটিলতায় অনেক জায়গায় নির্মাণ কাজ বন্ধ রয়েছে। এইসব ক্ষেত্রে জমি কিনে কিছুটা হলেও ফ্যাসাদে পড়ে গিয়েছেন অনেকে। এক প্রোমোটারের কথায়, বারাসত শহরে আমার কেনা জমিতে কোনও এক অদৃশ্য কারণে বাড়ি তৈরি করতে দেওয়া হচ্ছে না। কী কারণ, তা জানা নেই। ফলে সেখানে জল ও নোংরা জমা হচ্ছে। আর সেখান থেকে ডেঙ্গুর আতঙ্ক ছড়াচ্ছে। পুরসভার উচিত দ্রুত বাড়ি তৈরির অনুমোদন দেওয়া। এনিয়ে বারাসত পুরসভার চেয়ারম্যান অশনি মুখোপাধ্যায় বলেন, যে সমস্ত জায়গা পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছে, সেইসব জমির মালিকদের জায়গা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করার নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে। তাছাড়া বাড়ি বাড়ি সমীক্ষা চলছে। আমাদের পুরসভার ২টি ওয়ার্ড নিয়ে সুডা অসন্তোষ প্রকাশ করেছে। তাই সেই ওয়ার্ডগুলির দিকে বিশেষ নজর দেওয়া হচ্ছে।
এদিকে, মধ্যমগ্রাম পুরসভার চেয়ারম্যান নিমাই ঘোষ বলেন, পুরসভার টিম রোজ এলাকায় গিয়ে সাফাইয়ের কাজ করছে। বাড়ি বাড়ি চলছে সার্ভের কাজ। তবে, যাঁরা জমি কিনে এখনও নির্মাণ করেননি, তাঁদের নোটিস পাঠানো হচ্ছে। ওই পরিত্যক্ত জায়গা পরিষ্কার করতে বলা হচ্ছে। কিন্তু না হলে আমরাই ওই জায়গা পরিষ্কার করছি। আর হাবড়া পুরসভার চেয়ারম্যান নারায়ণচন্দ্র সাহা বলেন, শহরে আর জল জমে না। ফলে, মশার লার্ভা জন্মানোর প্রশ্নই নেই। তবে আমাদের স্বাস্থ্য টিম অনবরত কাজ করছে। সব সময়েই রিপোর্ট আমরা সংগ্রহ করছি।