• ৪ বছর কাজ বন্ধ কাজ, সল্টলেকে প্রস্তাবিত রবীন্দ্রভবনের জমি ঢেকেছে ঘাস-আগাছায়
    বর্তমান | ০৯ জুলাই ২০২৪
  • নিজস্ব প্রতিনিধি, বিধাননগর: সল্টলেক শহরে রবীন্দ্রভবন নেই। এই প্রকল্প বাস্তবায়িত করতে উদ্যোগ নিয়েছিল বিধাননগর পুরসভা। ঘটা করে প্রকল্পের শিলান্যাসও হয়েছিল। তারপর বড় বড় পিলার তৈরির জন্য লোহার খাঁচা পোঁতা হয়েছিল মাটিতে। কিন্তু, তারপর চার বছর কেটে গেলেও সেই কাজের কোনও অগ্রগতি হয়নি। হয়নি ঢালাই। বৃষ্টিতে প্রস্তাবিত সেই রবীন্দ্রভবনের জমি ঢেকেছে ঘাস ও আগাছায়। মার্বেলের ফলক বসানো হলেও সেই জায়গাটি এখন পরিত্যক্ত অবস্থায় রয়েছে। কবে মাথা তুলবে রবীন্দ্রভবন, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন শহরের বাসিন্দারা। পুরসভার দাবি, থমকে থাকা কাজ আবার শুরু হবে। তেমনই সিদ্ধান্ত হয়েছে। এমনকী, চলতি আর্থিক বছরের পুর বাজেটে ওই ভবন তৈরির প্রস্তাব পাশ হয়েছে। তার জন্য মূল বিল্ডিংয়ের প্ল্যানে কিছু বদল আনা হতে পারে।


    সল্টলেকে যেখানে পুরসভা ভবন রয়েছে, তার অদূরেই জমি নেওয়া হয়েছে রবীন্দ্রভবনের জন্য। পুরসভা ভবন থেকে করুণাময়ীর দিকে কিছুটা এগলেই নেতাজি আইল্যান্ড। তার ডানদিকে রয়েছে রবীন্দ্রনাথের বড় মূর্তি। ঠিক তার পিছনের জমিতেই রবীন্দ্রভবন তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। সেই মতো ২০২০ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর ওই জমিতে প্রকল্পের শিলান্যাস হয়। তারপর কাজ শুরুও হয়েছিল। শিলান্যাসের ফলক এখনও বসানো রয়েছে এখানে। ওই জমিতে এখন লোহার বড় বড় খাঁচা দাঁড়িয়ে রয়েছে। স্থানীয়দের কথায়, পিলারের জন্য ওই রড বাঁধা হয়েছিল। কিন্তু, না হয়েছে, পিলার, না হয়েছে ঢালাই। এমনকী, একটি ইটও গাঁথা হয়নি।


    পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, রবীন্দ্রভবন তৈরির বিষয়টি মাথায় রয়েছে। তাই গত ৭ মার্চ বিধাননগর পুরসভায় ২০২৪-’২৫ আর্থিক বছরের বাজেট প্রস্তাবে এই প্রকল্পের কাজ ফের শুরুর কথা উল্লেখ করা হয়েছে। সেই বাজেট প্রস্তাব পুরসভায় পাশও হয়েছে। যদিও এখনও ওই কাজ শুরু হয়নি। পুর কর্তৃপক্ষের দাবি, রবীন্দ্রভবন তৈরির জন্য ইতিমধ্যেই জমিতে পাইলিংয়ের কাজ হয়ে গিয়েছে। মূল ভবনের প্রথম তলায় মিটিং হল, লাইব্রেরি এবং আর্কাইভ ইত্যাদি থাকবে। দ্বিতীয় তলে থাকবে অডিটোরিয়াম তথা কনফারেন্স হল। প্রয়োজনে পুর কর্তৃপক্ষ এই দু’টি তল বাণিজ্যিক কাজেও ব্যবহার করতে পারবে। কাজ শুরুর সময় যে পরিকল্পনা করা হয়েছিল, বর্তমানে সেই মূল বিল্ডিং প্ল্যানের কিছু পরিবর্তন করা হবে। তারপরই কাজ শুরু হবে।
  • Link to this news (বর্তমান)