• নকল এনওসি দেখিয়ে ট্রাক্টর বিক্রির অভিযোগে ধৃত বিষ্ণুপুরের দুই যুবক
    বর্তমান | ১০ জুলাই ২০২৪
  • সংবাদদাতা, বিষ্ণুপুর: অর্থলগ্নিকারী সংস্থার নকল এনওসি দেখিয়ে ট্রাক্টর বিক্রির অভিযোগে মঙ্গলবার পুলিস বিষ্ণুপুরের বগডহরা থেকে দুই যুবককে গ্রেপ্তার করেছে। ধৃতদের নাম মইনুদ্দিন মোল্লা ও অমর হোসেন খান। পুলিস জানিয়েছে, ধৃতদের বিরুদ্ধে অর্থলগ্নিকারী সংস্থাকে লোনের কিস্তি পরিশোধ না করে নকল এনওসি বানিয়ে অন্যজনকে পুরনো ট্রাক্টর বিক্রি করে দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। সংশ্লিষ্ট সংস্থার অভিযোগের ভিত্তিতে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এদিন বিষ্ণুপুর মহকুমা আদালতে তোলা হলে বিচারক পুলিসি হেফাজতের নির্দেশ দেন। পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, মইনুদ্দিন ট্রাক্টর কেনার জন্য ২০২২সালে একটি অর্থলগ্নিকারী সংস্থার কাছ থেকে ৮লক্ষ ২০হাজার টাকা লোন নেয়। তা দিয়ে সে ট্রাক্টরও কেনে। কিন্তু, লোন পরিশোধ করেনি। উল্টে ওই ট্রাক্টর সে একই গ্রামের বাসিন্দা অমর হোসেন খানকে বিক্রি করে দেয়। সংস্থার নকল এনওসি বানিয়ে মোটর ভেহিকেল দপ্তরে গিয়ে মালিকানা বদলও করে দেয়। পরবর্তীকালে একইভাবে অমর হোসেন খান ওই ট্রাক্টরটি বাপি মিদ্যা নামে অপর একজনকে বিক্রি করে দেয়। একইভাবে জালিয়াতি করে মোটর ভেহিকেল দপ্তর থেকে মালিকানা বদল করা হয়। লগ্নিকারী সংস্থা বারবার তাগাদা দিয়েও কিস্তি না পাওয়ায় একসময় ট্রাক্টরটি নিজেদের হেফাজতে নিতে যায়। দেখা যায় ট্রাক্টরটি মালিকের হাতে নেই। অন্যত্র তা বিক্রি করে দেওয়া হয়েছে। মোটর ভেহিকেল দপ্তর থেকে তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে সংস্থার আধিকারিকদের কার্যত চক্ষু চড়ক গাছ হয়। তাঁরা দেখেন সেখানে নকল এনওসি দেওয়া হয়েছে। তাঁদের স্বাক্ষরও নকল করা হয়েছে। লোন পরিশোধ না হলেও ওই ট্রাক্টর ইতিমধ্যে দু’বার মালিকানা বদল করা হয়েছে। এরপরেই সংস্থার সঙ্গে পরিকল্পিতভাবে প্রতারণা করা হয়েছে বুঝতে পেরে বিষ্ণুপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়। পুলিস মূল অভিযুক্ত দু’জনকে গ্রেপ্তার করে।
  • Link to this news (বর্তমান)