• ‘যতদিন বাঁচব, ততদিন মমতাকে দেখতে ধর্মতলার সমাবেশে যাব’, অকপট উলুবেড়িয়ার বৃদ্ধা
    বর্তমান | ২২ জুলাই ২০২৪
  • সংবাদদাতা, উলুবেড়িয়া: এই নিয়ে চারবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দেখতে ধর্মতলায় যাচ্ছি। আমি সামনে থেকে মমতাকে দেখেছি। যতদিন বাঁচব, ততদিন মমতাকে দেখতে ধর্মতলার সমাবেশে যাব। রবিবার সকালে শহিদ দিবসে যাওয়ার জন্য নৌকায় ওঠার আগে এ কথাই বললেন বছর পঁয়ষট্টির পুষ্পবালা দাস। রবিবার ছিল তৃণমূলের শহিদ দিবস। ধর্মতলায় শহিদ দিবসের কর্মসূচিতে যাওয়ার জন্য এদিন সকালেই অন্যান্যদের সঙ্গে উলুবেড়িয়ার কালীনগর কালীবাড়ির আটচালায় হাজির হয়ে গিয়েছিলেন পুষ্পবালা দাস। নৌকা তখনও ঘাটে না আসায় একপাশে একাই বসেছিলেন তিনি। কথা প্রসঙ্গে বৃদ্ধা বলেন, আগে স্বামীই প্রতি বছর যেতেন। তিনি মারা যাওয়ার পর থেকে আমি যাচ্ছি। আপনি মমতাকে দেখতে মঞ্চের সামনে যেতে চাইছেন, যদি হারিয়ে যান, তখন কী হবে? পুষ্পবালাদেবী জবাবে বলেন, ধর্মতলায় যাচ্ছি তো মমতাকে দেখতেই। ওকে না দেখে কী করে বাড়ি ফিরে আসব! এতক্ষণ থাকবেন, খাবেন কী? বৃদ্ধার উত্তর, নৌকায় মুড়ি-ছোলা সিদ্ধ দেবে। দুপুরে ডিমের ঝোল ভাত। তবে আগে দু’বার মাংস-ভাত খেয়েছিলাম। ধর্মতলায় যাওয়ার জন্য এদিন ভোর সাড়ে ৪টে নাগাদ ঘুম থেকে উঠেছে। বাড়ির কাজ, পুজো সেরে সকাল সকাল চলে এসেছি। কথার ফাঁকেই নৌকা এসে যাওয়ায় দেরি না করে অন্যদের সঙ্গে তাতে উঠে বসেন বৃদ্ধা।


    এদিন কালীনগর থেকে ৪টি নৌকায় করে নদীপথে ধর্মতলার উদ্দেশ্যে রওনা হন তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকরা। এদিন সমাবেশে যাওয়ার পথেই ঝেঁপে বৃষ্টি নামে। ফলে যথেষ্ট বেগ পেতে হয় নৌকায় থাকা তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকদের। অন্যদিকে এদিন সকালে উলুবেড়িয়া স্টেশন থেকে কর্মী-সমর্থকদের ধর্মতলার উদ্দেশ্যে রওনা করিয়ে দিয়ে সমাবেশের পথে যাত্রা করেন মন্ত্রী পুলক রায়। এদিন ১৬ নম্বর জাতীয় সড়ক দিয়েও হাজার হাজার বাসে করে ধর্মতলার উদ্দেশ্যে যেতে দেখা যায় তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকদের।
  • Link to this news (বর্তমান)