• ৩০০ কর্মীর ম্যাজিক, আধ ঘণ্টায় সাফ ধর্মতলা চত্বর
    বর্তমান | ২২ জুলাই ২০২৪
  • নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: বড়জোর আধ ঘণ্টা! তার মধ্যেই সাফ হল গোটা ধর্মতলা চত্বর। তারপর ধর্মতলার সব রাস্তাতেই যান চলাচল স্বাভাবিক হয়ে যায়। রবিবার তৃণমূলের একুশে জুলাইয়ের সমাবেশ ভাঙার পর এই ছবিই ফুটে উঠল ধর্মতলা চত্বরে।


    একুশের সভাস্থল পরিষ্কার করতে বিন্দুমাত্র সময় নষ্ট করেনি কলকাতা পুরসভা। ঝাঁটা, ছোট ইলেকট্রিক গাড়ি নিয়ে সাফাই অভিযানে নেমে পড়েন পুরকর্মীরা। সঙ্গে ছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের স্বেচ্ছাসেবকরাও। কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিমের নেতৃত্বে দ্রুত কাজ সারল ‘টিম কলকাতা পুরসভা’। শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত মেট্রো চ্যানেলে দাঁড়িয়ে এই সাফাই কাজ তদারকি করেন পুরসভার জঞ্জাল সাফাই ও কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের মেয়র পারিষদ দেবব্রত মজুমদার। অন্যদিকে, পুরসভার সামনে এস এন ব্যানার্জি রোডে দাঁড়িয়ে এই কাজ পরিচালনা করেন পুরসভার বস্তি বিভাগের মেয়র পারিষদ স্বপন সমাদ্দার। 


    দ্রুত জঞ্জাল সাফাইয়ের কাজে নামানো হয় মেকানিক্যাল সুইপার, হ্যান্ডকাট মেশিন, ব্যাটারিচালিত গাড়ি, ওয়াটার স্প্রিঙ্কলার। গোটা শহরে প্রায় ৩০০ জন সাফাই কর্মীকে নামানো হয়েছিল। মেট্রো চ্যানেল, চৌরঙ্গি, এস এন ব্যানার্জি রোড, লেনিন সরণি, পার্ক স্ট্রিট, সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউ, এজেসি বোস রোড সহ মূল রাস্তাগুলি ৩০ মিনিটের মধ্যেই সাফ করে যান চলাচলের উপযোগী করে তোলা হয়। শ্যামবাজার, ময়দান, আলিপুর চিড়িয়াখানা সহ অন্যান্য রাস্তা ও পার্কগুলিতে সাফাই কাজ চলে বিকেল পর্যন্ত। 


    সমাবেশের আগেই ধর্মতলা চত্বরে রাস্তার ধারে বড় বড় ডাস্টবিন বসানো হয়েছিল। পুরসভা দ্রুত রাস্তা পরিষ্কার করে দেওয়ায় ট্রাফিক পুলিসের পক্ষ থেকে যান চলাচল স্বাভাবিক করতে সুবিধা হয়। এ নিয়ে দেবব্রত মজুমদার, স্বপন সমাদ্দাররা জানিয়েছেন, পুরসভা প্রতিবারের মতো এবারও আগে থেকে প্রস্তুত ছিল। সব কর্মীকে রাস্তায় নামানো হয়েছিল। শুধু ধর্মতলা নয়, আশপাশের সব এলাকাও সাফ করা হয়েছে। ছোট ব্যাটারিচালিত গাড়িতে প্রথমে আবর্জনা সংগ্রহ করা হয়। তারপর বড় বড় ডাম্পার ও লরিতে করে সেগুলি নিয়ে ফেলা হয় ধাপায়। 
  • Link to this news (বর্তমান)