এবার বুড়িগঙ্গা খাল সংস্কারে দ্বিতীয় পর্যায়ের কাজ শুরু
বর্তমান | ২২ জুলাই ২০২৪
সংবাদদাতা, কল্যাণী: বুড়িগঙ্গা খাল সংস্কার করার ফলে চাকদহের মানুষের লাভ নিয়ে শনিবার একটি আলোচনা সভা ও তথ্য প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়। সম্প্রতি রাজ্য সরকারের সেচদপ্তর এবং চাকদহ পুরসভার উদ্যোগে এক সময় মজে যাওয়া এই বুড়িগঙ্গা খাল সংস্কারের দ্বিতীয় পর্যায়ের কাজ শুরু হয়েছে। জেসিবি দিয়ে খালের নাব্যতা বৃদ্ধির পাশাপাশি কচুরিপানা সরানোর কাজ চলছে। স্থানীয়দের দাবি, এবছর এখনও পর্যাপ্ত বৃষ্টি হয়নি। তবুও এই খাল সংস্কারের ফলে কৃষকরা সহজে পাট পচানোর বা জাগ দেওয়ার জল পাচ্ছেন। এছাড়াও খালের দু’ধারে থাকা কৃষকদের ক্ষেতেও পর্যাপ্ত জল পৌঁছচ্ছে। খালটি সম্পূর্ণ সংস্কার হয়ে গেলে মাছও ধরতে পারবেন স্থানীয় মৎস্যজীবীরা। শুধু তাই নয়, এই খাল সংস্কার হলে চাকদহ শহরের রাস্তাঘাটে জমে থাকা জলের যন্ত্রণা থেকেও মুক্তি পাবেন বাসিন্দারা। ভাগীরথী নদী থেকে উৎপত্তি হওয়া প্রায় ২৭ কিলোমিটার দীর্ঘ এই খাল প্রায় ৩০ বছর সংস্কারের অভাবে মজে গিয়েছিল। চাকদহ পুরসভা এলাকা ছাড়াও চাকদহ ব্লকের আশেপাশের কয়েকটি গ্রাম পঞ্চায়েত ছুঁয়ে প্রবাহিত হয়েছে এই খাল। চাকদহের পুরাতন বাজার এলাকায় ঘুগিয়া ভুবনমোহিনী বিদ্যাপীঠ স্কুলের কক্ষে খালটি নিয়ে অনুষ্ঠান করে চাকদহ বিজ্ঞান ও সাংস্কৃতিক সংস্থা এবং পশ্চিমবঙ্গ মৎস্যজীবী ফোরামের নদীয়া জেলা শাখা। নদী গবেষক নির্মলেন্দু নাথ এদিনের অনুষ্ঠানে ‘প্রেজেন্টেশন’ দেন। এই বিষয়ে পশ্চিমবঙ্গ মৎস্যজীবী ফোরামের নদীয়া জেলার সম্পাদক বিবর্তন ভট্টাচার্য বলেন, বুড়িগঙ্গা সংস্কারের কাজ শুরু হতেই মৌরলা, পুঁটি, মাগুর মাছ পাওয়া যাচ্ছে। এই বুড়িগঙ্গা বাঁচানোর দায়িত্ব সবার। এতে জল সংরক্ষণের পাশাপাশি চাকদহের মানুষও বিভিন্নভাবে উপকৃত হবেন।