আজ থেকে ভারত-বাংলাদেশে আমদানি-রপ্তানি চালুর সম্ভাবনা
বর্তমান | ২৪ জুলাই ২০২৪
নিজস্ব প্রতিনিধি, বিধাননগর ও সংবাদদাতা, বনগাঁ: জট কাটল ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে বাণিজ্যের। আজ, বুধবার থেকেই দু’দেশের মধ্যে পণ্য আমদানি ও রপ্তানি চালু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এ দেশের ব্যবসায়ী সংগঠনের পক্ষ থেকে এমনটাই জানানো হয়েছে। বাংলাদেশে ইন্টারনেট পরিষেবা কিছুটা চালু হওয়ায় বাণিজ্যের জন্য কার পাস দেওয়ার কাজ শুরু হয়েছে। তবে ওদেশে সর্বত্র ইন্টারনেট পরিষেবা চালু না-হওয়ায় আমদানির ক্ষেত্রে কিছুটা অসুবিধা হবে বলে মনে করা হচ্ছে। অন্যদিকে, দু’দেশের মধ্যে যাত্রী পরিবহণ কবে থেকে স্বাভাবিক হবে তা নিয়ে ঘোর অনিশ্চয়তা এখনও কাটেনি। আগামীকাল বৃহস্পতিবার কলকাতা-খুলনা বন্ধন এক্সপ্রেস বাতিল থাকবে। একইভাবে ঢাকা-কলকাতা মৈত্রী এক্সপ্রেসও কাল চলবে না। এদিকে, বাংলাদেশে আটকে পড়া ছাত্রছাত্রীদের দেশে ফেরাতে সবরকম পদক্ষেপ নিয়েছে বিএসএফ। মঙ্গলবার পর্যন্ত ৪৩১৫ পড়ুয়া বাংলাদেশ থেকে ভারতে ফিরেছেন। সীমান্তে জারি করা হয়েছে হাই এলার্ট। শুধু পশ্চিমবঙ্গ নয়, অসম, মেঘালয়, মিজোরাম ও ত্রিপুরা রাজ্যের সীমান্তেও তা জারি হয়েছে। সমস্ত পরিস্থিতির দিকে নজর রেখেছেন জওয়ানরা।
বাংলাদেশের উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে পেট্রাপোল সীমান্তসহ রাজ্যের একাধিক সীমান্ত দিয়ে কয়েকদিন বাণিজ্য বন্ধ ছিল। ওদেশে ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ থাকায় কোনো পণ্য বোঝাই ট্রাক ভারত থেকে ওদেশে যেতে পারেনি। পেট্রাপোল সীমান্তে শ’য়ে শ’য়ে পণ্য বোঝাই ট্রাক দাঁড়িয়ে। পণ্য খালি না-হওয়ায় বাংলাদেশেও কয়েকশো ট্রাক দাঁড়িয়ে রয়েছে। বাংলাদেশ কিছুটা শান্ত হওয়ায় বাণিজ্য মহলে স্বস্তি এসেছে। পেট্রাপোল ক্লিয়ারিং এজেন্ট অ্যসোসিয়েশনের সম্পাদক কার্তিক চক্রবর্তী বলেন, বাংলাদেশে ইন্টারনেট পরিষেবা চালু হওয়ায় কার পাস দেওয়া শুরু হয়েছে। আজ বুধবার থেকে বাণিজ্য চালু হবে বলে আশা করছি। তবে পণ্য আমদানির ক্ষেত্রে কিছুটা অসুবিধা হতে পারে।বিএসএফ জানিয়েছে, যে ৪৩১৫ জন ভারতে ফিরেছেন, তাঁদের মধ্যে ৩০৮৭ জন ভারতীয়, ১১১৮ জন নেপালি, ৬৬ জন ভুটানি, মালদ্বীপের দু’জন, কানাডার একজন এবং বাংলাদেশের ৬৬ জন ছাত্রছাত্রী রয়েছেন।