• গার্ডেনরিচ জল প্রকল্পের বর্জ্য মাটি মণিখালে ফেলা হচ্ছে
    বর্তমান | ২৬ জুলাই ২০২৪
  • সংবাদদাতা, বজবজ: মহেশতলা পুরসভার ১ থেকে ১০ নম্বর ওয়ার্ড ছাড়াও বেহালা পশ্চিমের একাধিক ওয়ার্ড এবং গার্ডেনরিচের একাংশের নিকাশি জল মণিখাল দিয়ে গঙ্গায় পড়ে। তাই রাজ্য সরকারের সেচদপ্তর প্রায় আট কোটি টাকা খরচ করে এর সংস্কার করেছে। কিন্তু গার্ডেনরিচের জল শোধনাগারের পাইপ দিয়ে বের হওয়া হলুদ রঙের বর্জ্য গাদ মণিখালে ফেলার জন্য খালে ফের পলি জমছে। কমছে গভীরতা। মহেশতলা পুর কর্তৃপক্ষ এ নিয়ে প্রতিবাদ জানিয়েছে। কলকাতা পুরসভার গার্ডেনরিচ ওয়াটার ওয়ার্কসকে ওই গাদ ফেলতে নিষেধও করা হয়েছে। তবুও কারও কোনও হেলদোল নেই।


    মহেশতলার পুর চেয়ারম্যান দুলাল দাস এনিয়ে রীতিমতো অসন্তুষ্ট। তিনি বলেন, এমনিতে লাগাতার বলে বলে মণিখালের সংস্কারের কাজ হয়েছে। তার মধ্যে এখন গার্ডেনরিচের ওই হলুদ গাদ, যা এক ধরনের হলুদ পলি মাটি, মণিখালে ফেলা হচ্ছে। এতে সংস্কারের কাজ মাঠে মারা যাচ্ছে। এর জেরে ফের মহেশতলার ১০টি ওয়ার্ড ছাড়াও বেহালার দিকের জল বের হওয়া নিয়ে সমস্যা হবে। জলে ভাসবে এই অঞ্চলের মানুষ। এ বিষয়ে কলকাতা পুরসভার জল বিভাগের ডিজি মৈনাক মুখোপাধ্যায় ছাড়াও প্রশাসনিক বৈঠকে একাধিকবার বলেছি। কিন্ত এখনও ওই হলুদ মাটি ফেলা বন্ধ হয়নি। একটি নির্দিষ্ট পাইপ দিয়ে সেই জল মিশ্রিত মাটি বের হয়ে খালের গতিপথ অবরুদ্ধ করে দিচ্ছে।


    ডিজি মৈনাকবাবুকে এনিয়ে প্রশ্ন করা হলে প্রথমে তিনি এমন কোনও ঘটনা হচ্ছে না বলে দাবি করেন। পরে জানান, ওই বর্জ্যের সঙ্গে গার্ডেনরিচ ওয়াটার ওয়ার্কসের কোনও সম্পর্ক নেই। তাহলে ওটা কাদের? ডিজি এরপর আর কথা বলতে চাননি। মহেশতলা পুরসভার ১০ নম্বর ওয়ার্ডের পাহাড়পুরে গার্ডেনরিচ ওয়াটার ওয়ার্কস। ওইখানে জল শোধনের পর বর্জ্য তলানি বা গাদ আলাদা জায়গায় জমা হয়। তা একটি নির্দিষ্ট পাইপ দিয়ে মণিখালে ফেলা হয়। মহেশতলা পুরসভার এক আধিকারিক বলেন, এটা খালে না ফেলে অন্য জায়গাতে নিয়ে যাওয়ার কথা বলা হয়েছিল। কিন্ত কলকাতা পুরসভার জল বিভাগ এবিষয়ে কর্ণপাত করছে না।
  • Link to this news (বর্তমান)