• রূপশ্রীর ভেরিফিকেশনে এসে কাটমানি চাওয়ার অভিযোগ
    বর্তমান | ২৯ জুলাই ২০২৪
  • সংবাদদাতা, কালিয়াচক: রূপশ্রীর ভেরিফিকেশনে এসে টাকা দাবি করার অভিযোগ উঠল গ্রাম পঞ্চায়েতের অস্থায়ী কর্মীর বিরুদ্ধে। কালিয়াচক ৩ ব্লকের বেদরাবাদ গ্রাম পঞ্চায়েতের মির্জাচক পশ্চিমপাড়ার এই ঘটনায় শোরগোল পড়ে গিয়েছে। মাস দুয়েক আগে রূপশ্রী প্রকল্পে‌র জন্য বিডিও অফিসে আবেদন জানান চন্দন মণ্ডলের মেয়ে সুস্মিতা। কয়েকদিন আগেই বিয়ে হয় সুস্মিতার। সেসময় ভেরিফিকেশনে আসেননি সরকারি কর্মীরা।


    রবিবার চন্দনের বাড়িতে ভেরিফিকেশনে আসেন পার্থ ফুলমালি নামে বেদরাবাদ গ্রাম পঞ্চায়েতের এক অস্থায়ী কর্মী। তিনি প্রতিবেশী পাঁচজনকে সাক্ষী হিসেবে ডাকতে বলেন। চন্দনবাবু সেসময় বাড়িতে ছিলেন না। তাঁর স্ত্রী এবং ছেলে বাড়িতে ছিলেন। তাঁরাই পাঁচজনকে ডেকে নিয়ে আসেন। পঞ্চায়েত কর্মী প্রতিবেশীদের সঙ্গে কথা বলেন। চন্দনের মেয়ে সুস্মিতার বিয়ের সর্ম্পকে বিস্তারিত জেনে নেন। নথি যাচাই করেন। এরপর প্রতিবেশীদের স্বাক্ষর নেন। চন্দনের ছেলে সুরজের অভিযোগ, প্রতিবেশীরা চলে যেতেই ওই কর্মী মায়ের কাছে ৫০০ টাকা দাবি করেন। মা জানতে চান, ৫০০ টাকা কেন লাগবে? তখন ওই কর্মী বলেন টাকা না দিলে ফাইল উপরে যাবে না। আবেদন বাতিল হয়ে যাবে। 


    সুরজের কথায়, আমি সোজাসাপ্টা ওই কর্মীকে জানিয়ে দিই, সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পেতে টাকা দিতে পারব না। তখনই পঞ্চায়েত কর্মী আমাদের বাড়ি থেকে বেরিয়ে চলে যান। টাকা না দেওয়ায় আবেদনপত্র বাতিল করে দেওয়ার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ।  


    কেন টাকা চেয়েছিলেন? অভিযুক্ত পঞ্চায়েত কর্মী পার্থর দাবি, মিষ্টি খাওয়ার জন্য সামান্য টাকা চেয়েছিলাম। তবে জোর করে টাকা দাবি করিনি। 


    বেদরাবাদ গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান সিটু শেখ বলেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখে পদক্ষেপের আশ্বাস দিয়েছেন পঞ্চায়েত প্রধান। জয়েন্ট বিডিও উমোদ গিয়ালমো বলেন, লিখিত অভিযোগ পেলে খতিয়ে দেখে ওই কর্মীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
  • Link to this news (বর্তমান)