• লিজ জমি সংক্রান্ত রিপোর্ট তৈরির কাজ শুরু নবান্নের
    বর্তমান | ২৯ জুলাই ২০২৪
  • নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: লিজের জমি বেহাত হয়ে যাচ্ছে! সম্প্রতি এমনই অভিযোগ জমা পড়েছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে। সূত্রের খবর, এই অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য রিপোর্ট তৈরির কাজও শুরু করেছে রাজ্য। খোঁজখবর নেওয়া শুরু হয়েছে সংশ্লিষ্ট জমিগুলির সম্পর্কে। 


    পশ্চিম বর্ধমানের যমুনা মৌজার একটি ‘লিজি জমির’ এবং মেদিনীপুরের বহরবড়ুয়া মৌজার একটি বর্গা জমির তথ্য বদল করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। তাই এই জমি দুটির পঞ্চাশ বছরের পুরনো যাবতীয় নথিই খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আবার, যমুনা মৌজার জমিটির ক্ষেত্রে গত ১২ এপ্রিল ফরিদপুর-দুর্গাপুর ব্লক ভূমি আধিককারিকের স্বাক্ষরিত একটি নির্দেশও সামনে এসেছে। সেটি করা হয়েছিল সংশ্লিষ্ট প্লটগুলির ক্ষেত্রে ‘লিজি দং’ শব্দটি মুছে ফেলার অনুমতিপত্র হিসেবে। কারণ, এই জমির ক্ষেত্রে ভুলবশত ‘লিজি দং’ শব্দটি দেওয়া ছিল বলেই আবেদন করা হয়েছিল জেলায় নিযুক্ত সংশ্লিষ্ট আধিকারিকের কাছে। তার ভিত্তিতে ১৯৭৪ সালের এডিএসআর দুর্গাপুরের পুরনোর রিপোর্ট এবং অন্যান্য তথ্যে সংশ্লিষ্ট জমি ‘লিজি’ নয় পাওয়া গিয়েছে বলেই উল্লেখ করা হয়েছে ১২ এপ্রিলের অর্ডারে। 


    সংশ্লিষ্ট রেভিনিউ ইনসপেক্টরের দেওয়া রিপোর্টেও এই জমিকে ‘লিজি’ বলে উল্লেখ করা হয়নি। সরকারি জমি লিজ দেওয়ার ক্ষেত্রে দপ্তরের সম্মতি জরুরি। এক্ষেত্রে ‘লিজি জমি’ লেখাটি মুছে ফেলার আগে দপ্তরের কোনও মতামত নেওয়া হয়েছিল কি না, সে‌ই দিক঩টিও খতিয়ে দেখা হবে বলেই সূত্রের খবর। সত্যতা যাচাইয়ে কোনও পক্ষপাতিত্ব করা হবে না বলেও জানিয়েছেন রাজ্যের এক কর্তা।
  • Link to this news (বর্তমান)