• বিধানসভায় বঙ্গভঙ্গের বিরুদ্ধে প্রস্তাব সোমবার, উপস্থিত থাকবেন মুখ্যমন্ত্রীও
    বর্তমান | ৩১ জুলাই ২০২৪
  • নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: অখণ্ড বাংলায় ঐক্য, সম্প্রীতিই চিরন্তন। এখানে সকলে মিলেমিশে থাকেন। সব উৎসবে সকলে আনন্দে মেতে ওঠেন। এই বাংলাকে কোনও অবস্থাতেই ভাগ করা যাবে না। এই মর্মে রাজ্য বিধানসভায় প্রস্তাব আনছে তৃণমূল কংগ্রেস। এনিয়ে সোমবার বিধানসভার অধিবেশনে দু’ঘণ্টার আলোচনা হবে। উপস্থিত থাকবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। 


    কয়েকদিন ধরে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী থেকে বিজেপি বিধায়ক ও নেতাদের কথায় উঠে আসছে বাংলাভাগের প্রসঙ্গ। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার প্রস্তাব দিচ্ছেন, উত্তরবঙ্গের আট জেলাকে দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সঙ্গে যুক্ত করা হোক। আবার মুর্শিদাবাদের বিজেপি বিধায়ক গৌরীশঙ্কর ঘোষ বলছেন, মালদহ ও মুর্শিদাবাদকে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল করা হোক। এই অবস্থায় সোমবার বিধানসভার অধিবেশনে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দেন, বিজেপির চার নেতা-মন্ত্রী চার রকম কথা বলছেন। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পথে আমরা বঙ্গভঙ্গ রুখবই। 


    এরপরই জানা গেল, পরিষদীয় মন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়-সহ একাধিক বিধায়কের স্বাক্ষরিত বঙ্গভঙ্গ বিরোধী প্রস্তাব নিয়ে ৫ আগস্ট বিধানসভার অধিবেশনে আলোচনা হবে। 


    এদিকে বিধায়কদের একটি প্রতিনিধি দলের দিল্লি অভিযানের তোড়জোড় শুরু হয়েছে। এই প্রতিনিধি দলে কে কে থাকবেন, সেই বিষয়টি দেখছেন পরিষদীয় মন্ত্রী। সূত্রের খবর, ওই প্রতিনিধি দলে থাকার জন্য বিজেপি পরিষদীয় দলকেও বলা হবে। তাঁরা না-থাকলে বিজেপিকে ‘বাংলা বিরোধী’ বলেই তুলে ধরবে রাজ্যের শাসক দল। 


    অন্যদিকে, বিধানসভার অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে অনাস্থা এনেছে বিজেপির পরিষদীয় দল। বিধানসভার সচিবের কাছে স্পিকারের নামে ১৮টি বিষয়টি উল্লেখসহ একটি চিঠি দেওয়া হয়েছে। তাদের মূল অভিযোগ, অধ্যক্ষ পক্ষপাতিত্ব করছেন। কিন্তু বিধানসভার রীতিনীতি অনুযায়ী অনাস্থা প্রস্তাবের ক্ষেত্রে চিঠি জমা পড়ার পর ১৪ দিন অধিবেশন চলা বাধ্যতামূলক। কিন্তু চলতি অধিবেশন শেষ হয়ে যাচ্ছে ৫ আগস্ট। ফলে বিজেপির প্রস্তাবের উপর আলোচনার জন্য উপযুক্ত সময়ও নেই।  
  • Link to this news (বর্তমান)