নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: সাধারণ মানুষের যাতায়াতের সুবিধায় ১৯টি নতুন রুটে অটো পারমিটের অনুমোদন দিল দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার পরিবহণ বিভাগ। সুন্দরবনের বেশ কিছু এলাকা, ডায়মন্ডহারবার সহ বিভিন্ন জায়গায় এই নয়া রুটের ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি পুরনো রুটে অটো সংখ্যা আরও বাড়ানোর সিদ্ধান্তও নিয়েছে জেলা রুট ট্রান্সপোর্ট অথরিটি।
ধোসাহাট-কেল্লা, ক্যানিং হসপিটাল মোড়-গোলাবাড়ি (ভায়া সাতমুখী বাজার), জীবনতলা-তালদি (ভায়া ঝোড়োর মোড় ও তালদি স্টেশন), ঘটকপুকুর-পীরনগর, মগরাহাট-উস্তি (ভায়া পদ্মপুকুর) সহ বিভিন্ন এলাকায় নয়া রুট চালু হতে চলেছে। জেলা পরিবহণ বিভাগ সূত্রে জানা গিয়েছে, এই সব অঞ্চলে যাত্রী সংখ্যা বাড়ছিল। তাই অটো রুট শুরুর প্রস্তাব জমা পড়েছিল জেলার কাছে। সে প্রস্তাব বিচার এবং পরীক্ষা করে কর্তৃপক্ষ রুটগুলির ছাড়পত্র দেওয়ার কথা ঠিক করে। যেসব রুটে নতুন করে অটো চলবে সেখানে বর্তমানে সামান্য সংখ্যক যানবাহন চলে। ফলে রোজই যাত্রীদের হয়রানি হয়। এবার সেই সমস্যার সমাধান হবে বলে মনে করছে প্রশাসন। নতুন ও পুরনো মিলিয়ে ৩৫টি রুটে ১৯১৩টি অটো চালানোর বিজ্ঞপ্তি জারি হয়েছিল। এর জন্য আবেদন জমা পড়েছিল প্রায় তিন হাজারের মত। এর মধ্যে সব থেকে বেশি দরখাস্ত জমা পড়েছে গোসাবা ব্লকের বিরাজনগর ফেরিঘাট থেকে রাজাবাজার ভায়া আদর্শ বিদ্যামন্দির ও বালি বাজার এবং সংগ্রামপুর থেকে বটতলা ভায়া সেকেন্দ্রপুর। দু’টি রুটে প্রায় ২০০ আবেদন জমা পড়েছে।
এছাড়াও বেশ কিছু রুটে বাসের সংখ্যাও বাড়ানো হচ্ছে। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য, ঝড়খালি থেকে বারুইপুর এবং গদখালি থেকে বারুইপুর রুটে ১২ ও ১৯টি করে বাস নামানোর ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। এই দু’টি রুটে বর্তমানে খুব কম সংখ্যক বাস চলে। ফলে দু’টি বাস ছাড়ার ওয়েটিং টাইম কম করে আধ ঘণ্টা থেকে ৪৫ মিনিট। এদিকে সুন্দরবন থেকে বারুইপুর আসার জন্য সাধারণ মানুষকে একাধিকবার অটো পাল্টে আসতে হয়। তবে বাসের সংখ্যা বাড়লে সেই অবস্থা থেকে কিছুটা রেহাই মিলবে বলে মনে করছেন যাত্রীরা। - ফাইল চিত্র