• বৃষ্টির জলে ভাগাড়ের জঞ্জাল রাস্তায়, দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ বাসিন্দারা
    বর্তমান | ০১ আগস্ট ২০২৪
  • সংবাদদাতা, কালনা: কালনা শহরের ভাগাড়ের নোংরা বৃষ্টির জমা জলের সঙ্গে রাস্তায় ও মহল্লায় ঢুকে পড়ছে। এতে যাতায়াতের সমস্যা তো হচ্ছেই সেই সঙ্গে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। বাড়ছে বাসিন্দাদের ক্ষোভ। পুরসভার পক্ষ থেকে তা সামাল দেওয়ার চেষ্টা হলেও এলাকার বাসিন্দারা খুশি নন। তাঁদের দাবি, নিত্যদিনের দুর্ভোগের স্থায়ী সমাধান হোক। 


    কালনা শহরের জঞ্জাল ফেলার অর্ধ শতাব্দী প্রাচীন ভাগাড় রয়েছে শহরের বাইরে কল্যাণপুর পঞ্চায়েতের জিউধারা অঞ্চলে। শুরুতে ওই এলাকায় তেমন জনবসতি ছিল না। পরবর্তীতে জিউধারা সহ পাশ্ববর্তী হাটকালনা অঞ্চলের নিউ মধুবন মহল্লা গড়ে ওঠে। কয়েকশো পরিবারের বসবাস সেখানে। 


    কালনা শহরে সাফাইয়ের জন্য রয়েছেন শতাধিক স্থায়ী ও অস্থায়ী কর্মী। জঞ্জাল ও আবর্জনা সংগ্রহের জন্য শহরের আঠারোটি ওয়ার্ডে রয়েছে অস্থায়ী ভ্যাট। চকবাজারে রয়েছে স্থায়ী একটি বড় ভ্যাট। এছাড়াও ভ্রাম্যমাণ ভ্যাটের মাধ্যমে আঠারোটি ওয়ার্ডে বাড়ি থেকে জঞ্জাল সংগ্রহ করেন নির্মলসাথী ও নির্মলবন্ধু কর্মীরা। সকাল থেকে শহরের বিভিন্ন প্রান্ত ঘুরে ঘুরে আবর্জনা সংগ্রহ করে ট্রাক্টরে তুলে ভাগাড়ে নিয়ে ফেলা হয়। দীর্ঘদিন ধরে ভাগাড়ে আবর্জনা জমতে জমতে পাহাড় হয়েছে। বৃষ্টির জলের সঙ্গে সেই জঞ্জাল বাইরে বেরিয়ে আসছে। রাস্তা সহ আশপাশের মহল্লা ভাসিয়ে দিচ্ছে। ভাগাড়ের পাশ দিয়েই নিউ মধুবন গ্রামের বাসিন্দাদের যাতায়াতের পথ। রাস্তায় ভাগাড়ের নোংরা জল চলে আসায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন এলাকার বাসিন্দারা। দুর্গন্ধে নাকে রুমাল দিয়ে চলতে হচ্ছে।


    এলাকার বাসিন্দা হাফিজুল মল্লিক, তরুণ কুণ্ডু বলেন, এমনি সময়ে দুর্গন্ধ ছড়ায়। বর্ষায় দুর্গন্ধের সঙ্গে ভাগাড়ের নোংরা জমা জল রাস্তায় চলে আসে। নোংরা জল মাড়িয়ে স্কুলের পড়ুয়া সহ সকলকে যাতায়াত করতে হয়। নোংরা জলে পায়ে চর্মরোগ দেখা দিচ্ছে। আমরা চাই নোংরা জল ও আবর্জনা যাতে রাস্তায় ও মহল্লায় না আসে পুরসভা তার উপযুক্ত ব্যবস্থা করুক।
  • Link to this news (বর্তমান)