• ‘মশা মারতে সহযোগিতা চাই’, আবাসনগুলিকে চিঠি কলকাতার ডেপুটি মেয়রের
    বর্তমান | ০৩ আগস্ট ২০২৪
  • নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: শহরের বিভিন্ন বহুতল আবাসনে কিছু ক্ষেত্রে মশাবাহিত রোগ, বিশেষ করে ডেঙ্গুর প্রকোপ বেশি দেখা যায়। মশা দমনের কাজ করতে এবার আবাসনগুলির কাছে সহযোগিতা চেয়ে চিঠি লিখলেন কলকাতা পুরসভার ডেপুটি মেয়র অতীন ঘোষ। শহরের ১৬০০টির মধ্যে ৯২২ আবাসনে এই আবেদনপত্র ইতিমধ্যেই পৌঁছে গিয়েছে। স্বাস্থ্যকর্মীদের সঙ্গে সমন্বয় রেখে আবাসনের ভিতরের অংশ মশা মুক্ত করার আবেদন জানানো হয়েছে চিঠির বয়ানে। 


    জানা গিয়েছে, চলতি বছর এখনও পর্যন্ত কলকাতায় ডেঙ্গু উদ্বেগজনক নয়। কিন্তু বেড়েছে ম্যালেরিয়া। বেহালার সখেরবাজারে ম্যালেরিয়া আক্রান্ত হয়ে মাঝবয়সি এক ব্যক্তির মৃত্যু পর্যন্ত হয়েছে। সর্বশেষ (২৮ জুলাই) পাওয়া হিসেবে, ডেঙ্গু আক্রান্ত ২০৪। ম্যালেরিয়া আক্রান্তের সংখ্যা ১০৯৩। শহরে এখন লাগাতার বৃষ্টি চলছে। এই সময় ডেঙ্গুর প্রকোপ বৃদ্ধির সম্ভাবনা। বিশেষ করে আবাসনগুলির ছাদে জল জমে ডেঙ্গুর লার্ভার বংশবৃদ্ধির অভিযোগ আসতেই থাকে। বসত বাড়ির ঘরের ভিতরে থাকা ফুলের টব ও ফুলদানির জলেও ডেঙ্গুর লার্ভা জন্মানোর বহু প্রমাণ পেয়েছে পুরসভা। তাই এবার ম্যালেরিয়া, ডেঙ্গি রোধে সব আবাসন কর্তৃপক্ষকে সতর্ক থাকতে লেখা হয়েছে চিঠি। অতীন ঘোষ এ প্রসঙ্গে বলেছেন, ‘কেউ নিয়ম না মানলে তাদের নোটিস ধরানো হবে। তারপরও কাজ না হলে মিউনিসিপ্যাল কোর্টে মামলা হবে। মোটা টাকা ফাইন গুনতে হবে অভিযুক্তকে। ২০২৩-’২৪ অর্থবর্ষে ২১ লক্ষ টাকা ফাইন করা হয়েছে।’


    শহরের বহুতল আবাসনগুলিতে প্রতিবছর ডেঙ্গু, ম্যালেরিয়া সংক্রান্ত সচেতনতা প্রচার এবং অভিযানে যায় পুরসভা। অভিযোগ, এই কাজে গিয়েও সমস্যার মুখে পড়তে হয় স্বাস্থ্যকর্মীদের। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে তাঁদের আবাসনে ঢুকতে দেওয়া হয় না। ফলে বহু ক্ষেত্রেই দেখা যায়, বহুতল আবাসনের আবাসিকরাই মশাবাহিত রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন বেশি। তাই সমন্বয় রক্ষার আর্জি জানানোর পাশাপাশি বেশ কিছু নিয়মাবলী লিখে পাঠানো হয়েছে চিঠি। 
  • Link to this news (বর্তমান)